‘বস্তায় করে ঘুষ নিতেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান’

নিউজ ডেস্ক, প্রিয় সময় :

‘বস্তায় করে ঘুষ নিতেন খান’- এটি বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রধান খবর।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে নিয়ে করা প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে নিয়োগ দিতে তিনি বস্তা ভর্তি টাকা ঘুষ নিতেন। খবর : বিবিসি বাংলার 

এমন গুরুতর অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে বলে খবরটি বলছে।।

দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলামের বরাত দিয়ে এতে আরও বলা হয়, আসাদুজ্জামান খান ছাড়াও তার সাবেক একান্ত সচিব (পিএস) ও অতিরিক্ত সচিব ড. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা ইব্রাহিম হোসেন, সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মনির হোসেন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপুর বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

একের পর এক মামলা আসামি ‘প্রভাবশালী’-সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একের পর এক মামলা হচ্ছে।

আর সেসব মামলার আসামি হচ্ছেন পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রীসহ প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপি। অনেককে আবার নেওয়া হচ্ছে রিমান্ডে।

মামলায় সাবেক মন্ত্রী-এমপি ছাড়াও প্রশাসনের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী অনেক কর্মকর্তার নামও আসামির তালিকায় থাকছে।

তাদের অনেকেই এখন আত্মগোপনে। কেউ কেউ দেশের বাইরে পাড়ি জমিয়েছেন বলে আলোচনা আছে।

ছাত্র আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টার থেকে র‍্যাবের গুলিতে ১২ বছরের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনের নামে আরও একটি হত্যা মামলার আবেদন করা হয়েছে।

এছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের নামে আরেকটি মামলার আবেদন করা হয়।

দুই মামলার বাদীর জবানবন্দি নিয়ে দুই থানা কর্তৃপক্ষকে সরাসরি এজাহার (এফআইআর) গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ নিয়ে গত তিন দিনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পাঁচটি হত্যা মামলার আবেদন ও একটি অপহরণ মামলা হলো বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের ভূমিকা নিয়ে সংবাদটি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার শুনানি চলাকালে বিভক্ত বাংলাদেশি সমাজের শীর্ষ সব আইনজীবী একটি প্রশ্নে একমত পোষণ করেছিলেন। আর তা হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিশেষ ব্যবস্থা বহাল রাখা।

সে সময়ের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও এতে সায় দেন। কিন্তু তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল তাতে রা করেননি বলেই খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফলে বিভক্ত রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

এছাড়াও ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলায় প্রকাশ্যে আদালতে ঘোষিত রায়ে সুপ্রিম কোর্ট দুই মেয়াদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পথ খোলা রেখেছিল।

কিন্তু প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ১৬ মাস পর যে রায় প্রকাশ করলেন সেখানে তিনি এ অংশটি রাখেননি। সেসময় আপিল বিভাগের দুই জন বিচারপতি এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

প্রতিবেদনটি বলছে, দৃশ্যত আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তই অনুসরণ করেছিলেন খায়রুল হক।

‘খেয়েছে তারা ভুগছে মানুষ’- আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে ১৫ বছরের লুটপাটের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ক্যাপাসিটি পেমেন্টই (কেন্দ্র ভাড়া) দেওয়া হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা।

উৎপাদন না করেও অনেক কেন্দ্র অলস বসে থেকে পেয়েছে ভাড়া। এসব কেন্দ্রের বেশির ভাগেরই মালিক ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা।

বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কেন্দ্র ভাড়া শোধ করতে বিদ্যুৎ খাতে বেড়েছে ভর্তুকি। ২০০৮ সালে বিদ্যুৎ খাতে ৯০০ কোটি টাকা ভর্তুকি থাকলেও তা পরে কেন্দ্র ভাড়ার কারণে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা। কারণ, ভর্তুকির ৮৫ শতাংশই গেছে কেন্দ্র ভাড়ায়। ভর্তুকি কমাতে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম; যা যাচ্ছে গ্রাহকের পকেট থেকে।

এছাড়াও ২০১০ সালে দুই বছরের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দরপত্র এড়াতে সংসদে পাস করা হয় ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’।

এই আইনে করা কোনো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না, যাওয়া যাবে না দেশের আদালতে।

পরে আইনটির মেয়াদ কয়েক দফা বাড়িয়ে সর্বশেষ ২০২৬ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে।

‘গ্যাস ও জ্বালানি তেলে বকেয়া ১৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে’- বণিক বার্তার প্রধান খবর এটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলএনজি ও জ্বালানি তেল আমদানিতে বকেয়ার পরিমাণ ১ দশমিক ২ বিলিয়ন (১২০ কোটি) ডলার ছাড়িয়েছে।

বর্তমান বিনিময় হারে প্রতি ডলারে ১১৮ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪ হাজার ১৬০ কোটি টাকা।

এর মধ্যে এলএনজিতে জুলাই পর্যন্ত বকেয়ার পরিমাণ ৭০০ মিলিয়ন (৭০ কোটি) ডলার। জ্বালানি তেলে বকেয়া ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) ডলারের বেশি।

বিপুল এ বকেয়া পরিশোধে জ্বালানি বিভাগকে চাপ দিচ্ছে সরবরাহকারীরা।

জ্বালানি বিভাগসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত ডলারের সংস্থান না থাকায় জ্বালানি আমদানি বাবদ বকেয়া বেড়ে চলেছে।

দ্রুত তা পরিশোধ না হলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে ঝুঁকিতে পড়তে পারে বাংলাদেশ।

তবে অর্থ বিভাগ থেকে নিয়মিত বিল পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত করা গেলে এ ঝুঁকি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যাবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিপুল পরিমাণ অর্থ বকেয়া থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জ্বালানি বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ও স্পট মার্কেট এলএনজি আমদানি এবং দেশে গ্যাস উত্তোলনকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর (আইওসি) পাওনা চলতি মাস পর্যন্ত বকেয়া পড়েছে ৭০০ মিলিয়ন ডলার। আর পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে বকেয়া রয়েছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার।

শুক্রবার, ১৬ আগস্ট ২০২৪

স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

শ্বেতীর সাদা দাগ দূর করার উপায়

You might like