

সম্পাদকীয়
গত ৫ জানুয়ারি ২০২৫ একটি জাতীয় দৈনিক ‘বায়ুদূষণ : অসুস্থ, বৃদ্ধ ও শিশুদের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে বায়ুদূষণ সম্পর্কে জানিয়ে অসুস্থ, বৃদ্ধ ও শিশুদের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আমরা এতে বুঝতে পেরেছি, সংবাদটি সময়োপযোগী। তাছাড়া সকলের জন্যে প্রয়োজনীয় ও সতর্ক থাকার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, ‘রাজধানীর আশপাশের এলাকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় জনসাধারণকে বাইরে যাওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার এবং অসুস্থ, বৃদ্ধ ও শিশুদের বাইরে না যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। জনস্বার্থে পরিবেশ অধিদপ্তরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে সার্বক্ষণিক বায়ুমান মনিটরিং কেন্দ্রের মাধ্যমে নিয়মিত প্রকাশ করা হচ্ছে।’ আমরা ইতোমধ্যে জেনেছি যে, রোববার (৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকার বায়ুমান ছিল ২৫০, যা খুব অস্থাস্থ্যকর।

তাছাড়া দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেয়া হলেও তা’ বাস্তবায়ন করা সময়সাপেক্ষ বিষয় বলেই আমরা মনে করি। কেননা আমরা জনবহুল একটি শহরে বসবাস করি। তাছাড়া অধিকাংশ মানুষজন অসচেতন হওয়ায় এসব বিষয়ে তেমন একটা মাথা ঘামায় না। উল্লেখ্য, বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় রোববার (৫ জানুয়ারি) প্রথম অবস্থানে ছিল ঢাকা। এদিন সকাল ১০টায় ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (বায়ুর মান সূচক) স্কোর ছিল ৪৪৫। যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর তা’ আমাদের সকলের জন্যেই খুবই হুমকিস্বরূপ বলতে হয়।
আমরা মনে করি, বায়ুদূষণরোধে মাস্ক পরিধান করা বাধ্যতামূল করা উচিত। সত্যিকারে আমরা বাড়ির বাইরে যাওয়া বন্ধ করতে পারি না। তাই সবসময় একটি মুখোশ ব্যবহার করলে বায়ু দূষণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবো। এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করাও দরকার। তাছাড়া সচেতনতার বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না। আর প্রত্যেকের উচিত গাছ লাগানো। তাহলে পরিবেশ রক্ষা পাবে। আমাদের বেঁচে থাকতে বায়ুদূষণ কমাতে হবে। এজন্য আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে আমাদের করণীয় সম্পর্কে জানতে হবে। জলবায়ু পরির্বতন ও বায়ুদূষণ রোধে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঘরের বাইরে বেরোলে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। একইসঙ্গে আরও যেসব কাজ করতে পারেন তা হচ্ছে: পরিকল্পিতভাবে কারখানাগুলোর ধোঁয়া কমিয়ে আনা। কারখানাগুলো শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া।
ট্রাফিক জ্যামের সমাধান। উন্নত জ্বালানি ব্যবহার করা। এয়ার কন্ডিশনার কম ব্যবহার করা। প্রচুর বনায়ন করা, কারণ গাছ বায়ুদূষণ প্রতিরোধে জোরালো ভ‚মিকা রাখে। বাড়িঘর ও আবাসিক এলাকায় পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা, যেখানে উদ্যান ও পুকুর থাকবে। শুষ্ক মৌসুমে দূষিত শহরে দুই-তিন ঘণ্টা পর পর পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করা। নির্মাণ কাজের সময় নির্মাণ স্থান ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ঢেকে নেওয়া। রাস্তায় ধুলা সংগ্রহের জন্য সাকশন ট্রাক ব্যবহার করা। অবৈধ ইট-ভাটা বন্ধ করে উন্নত প্রযুক্তির সেন্ড ব্লকের প্রচলন বাড়ানো। ব্যক্তিগত গাড়ি ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করা। আরও আমাদের যা করতে হবে তা হলো: গাছ লাগানো, ছাদবাগানে উৎসাহিত করা, জলাধার সংরক্ষণ ও একইসঙ্গে নির্মল বায়ু আইনের বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে বাজেটের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন





