আমাদের দেশে প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও ব্যবহার বাড়াতে হবে

* সরদার সিরাজ

সাম্প্রতিককালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ বাড়ছে। যেমন: চীনের চালকবিহীন নভোযান চেইঞ্জ-৬ চন্দ্রপৃষ্ঠের অদূরের পোল-আই টকেন অববাহিকার দুর্গম অংশে সফলভাবে অবতরণ করেছে গত ২ জুন ভোর সাড়ে ছয়টায় এবং সেখান থেকে নমুনা সংগহ করে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছে, যা বিশ্বে প্রথম। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নভোচারী সুনীতা উইলিয়ামস মহাকাশে পাড়ি দেন গত ২ জুন। এর আগে তিনি ২০০৬ ও ২০১২ সালে মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। তাতে তিনি মোট ৩২২ দিন মহাকাশে ছিলেন, যা নারী হিসাবে প্রথম।

রাশিয়ার নভোচারী ওলেগ কোননেনকো মহাকাশে মোট এক হাজার দিন অবস্থান করার রেকর্ড করেন গত ৫ জুন, যা বিশ্বে প্রথম। চীন নিজস্ব উদ্ভাবিত চালকবিহীন পরিবহন বিমান শানসি সফলভাবে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন করেছে গত ১২ জুন। এই বিমানের মূল্য কম, টনেজ বেশি ও বাণিজ্যিক লোড উঁচু, প্রধান অ্যাপ্লিকেশন পরিস্থিতি হলো ফিডার লজিস্টিকস। এ ছাড়া, বন ও তৃণভূমির আগুন নিভানো, অগ্নি-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, ত্রাণ সামগ্রী পরিবহন ও ডেলিভারি এবং কৃত্রিম বৃষ্টি বাড়ানো ইত্যাদি কাজের উপযোগী। সাম্প্রতিককালে প্রযুক্তির আবিষ্কারও হচ্ছে সর্বাধিক।

এ নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলছে সারা বিশ্বে। এ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ভিত্তিক প্রযুক্তি এগিয়ে রয়েছে। প্রযুক্তির কাজের উৎপাদন হার বেশি, নিখুঁত ও খুবই সাশ্রয়ী। তথা প্রযুক্তির সুফল বেশি। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপক প্রতিযোগিতা চলছে বিশ্বব্যাপীই। এমনকি জনবহুল ও ভয়াবহ বেকারত্বের দেশেও প্রযুক্তি সাধ্যমতো ব্যবহার করা হচ্ছে। তাতে বেকারত্ব বাড়ছে। তবুও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট দেশটির এআই খাতে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে।

এআই ভিত্তিক প্রযুক্তি মানুষের বিকল্প হয়ে উঠছে বলে প-িতদের অভিমত। তাই এ প্রযুক্তি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। সম্প্রতি ইতালিতে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনেও এআাইয়ের অগ্রগতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। এ সম্মেলনে পোপ ফ্রান্সিস বলেছেন, আমরা যদি মানুষের জীবনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার যন্ত্রের ওপর (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর) ছেড়ে দিই, তাহলে মানবজাতির ভবিষ্যৎ আশাহীন হয়ে পড়বে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নেওয়া সিদ্ধান্তের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ থাকবে, তা নিশ্চিত করা দরকার, কারণ এর ওপর নির্ভর করছে মানুষের মর্যাদা। কিন্তু প্রযুক্তি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার পরও প্রযুক্তির অগ্রগতি অব্যাহত আছে।

এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রযুক্তির সর্বশেষ উদাহরণ হচ্ছে- কুকুরের মতো দেখতে মারণাস্ত্র কাঁধে নিয়ে এআই ভিত্তিক রোবটের হেঁটে যাওয়ার একটি সচিত্র প্রতিবেদন। এটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে চীনা মিডিয়ায়। সামরিক খাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এআই ভিত্তিক প্রযুক্তি। উপরন্তু বহু স্থানে এআই ভিত্তিক রোবট গৃহস্থালি, শিল্প-কারখানা ও অফিসের বেশিরভাগ কাজ দ্রুত করছে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে। সর্বোপরি বহু জনের সার্বক্ষণিক জীবন সঙ্গিনীর কাজ করছে এআই ভিত্তিক রোবট। বয়স্ক মানুষদের দেখাশোনায় রোবটের ব্যবহার হচ্ছে বিভিন্ন দেশে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফ্যানভু এআই সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে, যা বিশ্বে প্রথম। এতে ১,৫০০ প্রতিযোগীর নাম জমা পড়েছে। তন্মধ্যে বাংলাদেশি এলিজা খানও রয়েছে।

এ প্রতিযোগিতায় যে সেরা এআই সুন্দরী বিবেচিত হবে, তাকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রযুক্তির এ কল্পনাতীত উন্নতি ও ব্যবহারের কারণে বর্তমানে উন্নতির মাপকাঠি হচ্ছে প্রযুক্তির ব্যবহার। প্রযুক্তির সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে মাইক্রোসফটের কোপাইলট+ কম্পিউটার। এ ব্যাপারে মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা সম্প্রতি বলেছেন, ‘তাদের আবিষ্কৃত কোপাইলট+কম্পিউটার অ্যাপলের সর্বাধুনিক এম৩ ম্যাক বুক এয়ারের চেয়ে ৫৮% বেশি গতিসম্পন্ন। উপরন্তু কোপাইলট+কম্পিউটারে লাইভ অনুবাদ, ইমেজ জেনারেশন, চ্যাটের মাধ্যমে কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করার সুবিধা রয়েছে।’

নাদেলা আরো বলেছেন, ‘আমরা এমন এক নতুন যুগে প্রবেশ করছি যেখানে কম্পিউটার শুধু আমাদের বুঝতেই পারবে না, আমরা কী চাই এবং আমাদের উদ্দেশ্য কী তাও অনুমান করতে পারবে।’ এছাড়া, মাইক্রোসফটের অংশীদার এসার, আসুস, ডেল, এইচপি, লেনোভো, স্যামসাং এআইসমৃদ্ধ কম্পিউটার বাজারে ছাড়বে বলে গত ২১ মে জার্মান বেতারে প্রকাশ। অপরদিকে, ট্রুকলার এআই কল স্ক্যানার ফিচার নিয়ে আসছে। যার সাহায্যে কলারের ভয়েস মানুষের নাকি এআই দিয়ে তৈরি তা শনাক্ত করা যাবে, যা বিশ্বে প্রথম। অ্যাপল আইফোনে চ্যাট-জিপিটি সংযোজনের ঘোষণা দিয়েছে সম্প্রতি।

কিন্তু যে হারে নিত্য নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার হচ্ছে, সে হারে সেটা ব্যবহার করার দক্ষ লোক তৈরি হচ্ছে না। তাই নতুন প্রযুক্তির সুফল পাওয়া যাচ্ছে না শতভাগ। তাতে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ব্যাপক। ইন্টারন্যাশনাল ডাটা কর্পোরেশনের সম্প্রতি প্রকাশিত জরিপ গবেষণা প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৯০ শতাংশেরও বেশি কোম্পানির প্রযুক্তিগত দক্ষতায় ঘাটতির কারণে প্রায় ৫.৫ ট্রিলিয়ন ডলার ক্ষতি হবে। সংস্থাটির রিসার্চ ডিরেক্টর জিনা স্মিত বলেছেন, ‘সঠিক দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের যথাযথ পদের জন্য পাওয়া এখনকার চেয়ে আর কখনই এত কঠিন বিষয় ছিল না।

আইটি দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী ঘাটতি বাড়তে থাকার পাশাপাশি এআইয়ের মতো নতুন প্রযুক্তির অগ্রগতি হচ্ছে। তাই এন্টারপ্রাইজগুলোকে কর্মীদের নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও পুনরায় দক্ষ করার সৃজনশীল উপায় খুঁজে বের করতে হবে’ বলে গত ২৫ মে এক দৈনিকে প্রকাশ। কিন্তু প্রযুক্তি যতোই কল্যাণকর হোক না কেন, তা ব্যবহার করতে না পারলে তার সুফল পাওয়া যাবে না। তাই প্রযুক্তি ব্যবহার করার মতো প্রয়োজনীয় দক্ষ লোক তৈরি করতে হবে। এতে যারা যতো সফল হবে তারা ততো লাভবান হবে।

বাংলাদেশে প্রযুক্তির আবিষ্কার ও ব্যবহার খুব কম। প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে রয়েছে, যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে: ‘স্টার্টআপব্লিঙ্ক’ এর ‘গ্লোবাল স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ইনডেক্স ২০২৪ মতে, ১০০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৩তম, ভারত ১৯তম, পাকিস্তান ৭১তম ও শ্রীলঙ্কা ৭৬তম। এছাড়া, শীর্ষ ১ হাজার শহরের মধ্যে ঢাকা ১৪০তম। গত মে মাসে প্রকাশিত বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন মতে, ডিজিটাল লেনদেনে ১৫৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০২তম। Best Countries for Hiring Freelancers-2024 মতে, ৩০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২৯তম, স্কোর ১০০ মধ্যে ৪৬.৯২, ভারতের ৯৫.৭১ (এটি CEOWorld Magazine-এ গত ১৯.৪.২৪ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে)। সিসকের ডিজিটাল প্রস্তুতি সূচক-২০২১ মতে, ১৪৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৯তম। জিএসএম এর দা মেবল জেন্ডার গাপ রিপোর্ট-২০২৪ মতে, বাংলাদেশের ৫০% নারীর ইন্টারনেট ব্যবহার করার দক্ষতা নেই।

বিশ্বব্যাংকের ‘ডিজিটাল অগ্রগতি ও প্রবণতা প্রতিবেদন-২০২৩’ মতে, বাংলাদেশে ৩৯% মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নি¤œ। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স-২০২৩ মতে, স্কোর: বাংলাদেশের ৬১.১, শ্রীলঙ্কার ৬৯.৯, ভুটানের ৭৬.৫, ভিয়েতনামের ৮০.৬, মালদ্বীপের ৭৯, ইন্দোনেশিয়ার ৮০.১ এবং বৈশ্বিক গড় ৭২.৮। ১৬৯টি দেশের আইসিটি পরিষেবার অগ্রগতি পর্যালোচনা করে এই সূচক প্রণীত হয়েছে। স্পিড টেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্সের তথ্য মতে, গত মার্চ’২৪ মাসে বাংলাদেশের ইন্টারনেটের গতিতে মোবাইলে ১৪৮টি দেশের মধ্যে ১১২তম এবং ব্রডব্যান্ড ১৮২টি দেশের মধ্যে ১০৮তম। দেশে ব্যবহৃত মোবাইলের অধিকাংশই ৩জি, ৪জি খুব কম। ৫জির কাজকর্ম শুরু করে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আর্থিক সংকটে।

অথচ, চীন ৬জি চালু করার কাজ শুরু করেছে। ইলনমাক্সের স্টার লিংক মহাকাশ থেকে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। এটি এ পর্যন্ত অনেক দেশ নিয়ে ব্যবহার করছে। এটা বাংলাদেশকে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু অনুমোদন পাচ্ছে না উচ্চ দামের কারণে। উচ্চ গতির এই ইন্টারনেট নিতে পারলে তার ছাড়া দেশের পাহাড়, পর্বত, নদী, সাগর, মাঠঘাট তথা সর্বত্রই সেবা পাওয়া যাবে। শুধু একটি সেট আপ বক্স ব্যবহার করতে হবে। স্মার্ট টিভি চলে ইন্টারনেটে। এতে ডিস তার খুঁটি ইত্যাদি লাগে না। তাই স্টার লিংক যাচিত দাম অর্ধেক কমালে এটা বাংলাদেশে ব্যবহারের অনুমোদন পাবে এবং তাতে দেশের ব্যাপক কল্যাণ হবে। দেশে বহু আইটি পার্ক তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু তাতে বিনিয়োগ হয়নি তেমন। যেটুকু বিনিয়োগ হয়েছে, তার বেশিরভাগই নন-আইটি! দেশের সাইবার নিরাপত্তাও দুর্বল।

যা›হোক, উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের অবস্থা ভালো নয়। ডাব্লিউআইপিওর উদ্ভাবন সূচক-২০২৩ মতে, ১৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৫তম, স্কোর ২০.২। এ সূচকে ভারত ৪০তম, পাকিস্তান ৮৮তম, শ্রীলঙ্কা ৯০তম ও নেপাল ১০৮তম। প্রযুক্তির যুগে এর আবিষ্কার ও ব্যবহারের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শামিল ও সফল হতে না পারলে দেশের কোনো ক্ষেত্রেই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সফল হওয়া সম্ভব নয়। তাই দেশের উন্নতির স্বার্থেই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। অর্থাৎ যে প্রযুক্তি দেশের যে কাজে ব্যবহারের উপযোগী সেটাই ব্যবহার করতে হবে। উপরন্তু প্রযুক্তি চালানো ও নষ্ট হলে মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ লোক তৈরি করতে হবে দেশে, যার প্রধান হচ্ছে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ।

বয়স্ক লোক ও অশিক্ষিত তরুণদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করতে হবে। এছাড়া শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে এবং তা সার্বক্ষণিক হালনাগাদ করতে হবে। অর্থাৎ যখন যে প্রযুক্তি আবিষ্কার হবে, সাথে সাথে তা দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিভুক্ত করতে হবে এবং শিক্ষার মানের উন্নতি করতে হবে। এছাড়া, ইন্টারনেটের গতি বৈশ্বিক পর্যায়ের এবং দেশের সর্বত্রই প্রাপ্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এসব করতে পারলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই প্রযুক্তি উদ্ভাবন, চালানো ও ব্যবহার করার জন্য লাখ লাখ দক্ষ লোক তৈরি হবে দেশে। তারা দেশে ও বিদেশে উচ্চ বেতনে কাজ করতে পারবে। উপরন্তু আইটি পণ্যের রফতানিও অনেক বেড়ে যাবে।

স্মরণীয় যে, প্রযুক্তি পণ্যের বৈশ্বিক বাজার ব্যাপকভাবে বাড়ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডাটা কর্পোরেশনের সম্প্রতি প্রকাশিত ওয়ার্ল্ডওয়াইড ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন স্পেন্ডিং গাইড সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানি ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের দিকে ঝুঁকছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সাল নাগাদ এ খাতের বৈশ্বিক ব্যয় ৪ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। এই বিশাল বাজারের কিয়দংশ ধরতে পারলে বাংলাদেশের উন্নতি ত্বরান্বিত হবে। মাইক্রোসফট বাংলাদেশে এআই বিশেষজ্ঞ ও ডেভেলপার তৈরি, স্টার্ট আপদের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সক্ষমতা তৈরি এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে গত ১১ জুন। মাইক্রোসফটের এই সহযোগিতা নেওয়া হলে দেশের প্রযুক্তি খাতের ব্যাপক উন্নতি হবে। অপরদিকে, দেশে প্রযুক্তির অপব্যবহার যেন না হয় এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও অ্যাপ যেন আক্রান্ত না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখা দরকার।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট। sardarsiraj1955@gmail.com

 

প্রকাশ : রোব বার, ০৯ মার্চ ২০২৫ খ্রি.

সোরিয়াসিস হলে কী করবেন?

স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

শেয়ার করুন

You might like