

নিজস্ব প্রতিবেদক :
‘ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো।’ বিখ্যাত এই গানের রচয়িতা কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ স্মরণে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে প্যাপিরাস পাঠাগার। শুক্রবার ২৬ জুন বিকেল ৫টায় চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।

পাঠাগারের সভাপতি ও বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সভাপতিত্বে, প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, ব্যারিস্টার জহির উদ্দিন বাবর। তিনি বলেন, এক সময় রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ‘ভালো আছি ভালো থেকো’ গানটি আমরা দল বেঁধে গাইতাম। রুদ্রকে নিয়ে আমাদের চাঁদপুরে অনুষ্ঠান হচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাফরানী স্পোটিং ক্লাবের জেনারের সেক্রেটারী এমদাদুল হক মিলন ও শিশু থিয়েটারের সভাপতি পিএম বিল্লাল। অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ভাতিজা কবি শেখ সাইফুল্লাহ রুমি যুক্ত হয়ে এই আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কবিকে প্যাপিরাস পাঠাগার স্মরণ করছে জেনে আমি আনন্দিত। বিষয়টা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
প্রেম ও দ্রোহের কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ-এর ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে আলোচনা করেন, বিজয়ী-এর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান, সাংবাদিক ও সমাজসেবক আশিক খান, দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাঈদ হোসেন অপু চৌধুরী, পাঠাগারের উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, নির্বাহী সদস্য নাজমুল ইসলাম, ভাসানী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘের কর্ণধার সাইফুল ইসলাম রাজিব, শিক্ষক মানসুরা বেগম আছমা, ছাত্রনেতা ও সমাজকর্মী রিজভী শাহরিয়ার তানিম, সাহিত্যানুরাগী মনির হোসেন খান ও ফরহাদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন বাচিকশিল্পী আমির হোসেন বাপ্পি। সংগীত পরিবেশন করেন লিজা ইসলাম জুজু।
বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, ‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই/আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি, ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে’ এই কবিতা রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহকে সীমাহীন খ্যাতি এনে দিয়েছে। আমরা অনেকেই জানি না, ‘ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো।-এই বিখ্যাত গানের রচয়িতাও কিন্তু রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ। ক্ষণজন্মা এই কবিকে আমরা আজ প্রাণভরে শ্রদ্ধা নিবেদন করি।
অনুষ্ঠানে প্রেম ও দ্রোহের কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ-এর ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন বক্তারা।
সব শেষে চা-চক্রের আয়োজন করা হয়।

















