

বরিশাল প্রতিনিধি :
বরিশাল নগরীর পলাশপুর এলাকায় সিনেমার গল্পকেও হার মানানো এক বাস্তব ঘটনা ঘটেছে। এক নারী একই সঙ্গে দুই পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে সংসার করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এনজিওতে চাকরির কথা বলে প্রথম স্বামীকে ফাঁকি দিয়ে দ্বিতীয় এক যুবকের সঙ্গে বসবাস শুরু করছিলেন ওই নারী।

সম্প্রতি ওই নারীর এই দ্বৈত জীবন ফাঁস হয়ে যায়, আর তাতেই সৃষ্টি হয় ব্যাপক নাটকীয়তা।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মেজবাউদ্দিনের সঙ্গে বিয়ের পর ওই নারী ঢাকায় বসবাস করছিলেন। তারা দুজনেই বায়িং হাউজে চাকরি করতেন, দাম্পত্য জীবনও স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। কিন্তু প্রায় দেড় বছর আগে ওই নারী এনজিওতে চাকরির অজুহাতে ঢাকাছাড়া হয়ে গ্রামে ফেরেন। এরপর থেকেই তিনি ইলিয়াস গাজী নামের এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং তার সঙ্গে গোপনে বসবাস শুরু করেন।
প্রথম স্বামী মেজবাউদ্দিন জানান,তার স্ত্রী আগে থেকেই ওই ছেলেটার সঙ্গে সম্পর্কে ছিল। আমি বলেছিলাম চাকরি না করলেও সমস্যা নেই, কিন্তু ও তবু চাকরির কথা বলে বাড়ি আসে। পরে জানতে পারি ও অন্য এক বাসায় থাকে। আমি সেখানে গিয়ে হাতে-নাতে ধরি।
মঙ্গলবার সকালে পলাশপুর কলোনিতে স্ত্রীকে হাতে নাতে ধরেন মেজবা। এ সময় এলাকাবাসীর জটলা পড়ে যায়। কিন্তু ঘটনা আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে যখন সবাইয়ের সামনেই ওই নারী দ্বিতীয় স্বামী ইলিয়াস গাজীর হাত ধরে সবার সামনে পালিয়ে যান।
নারীটির দাবি, প্রথম স্বামীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। আমি ইলিয়াসকে (২য় স্বামী) বৈধভাবেই বিয়ে করেছি। কিন্তু মেজবা (প্রথম স্বামী) পাল্টা দাবি করে বলেন,ও আমাকে কখনও তালাক দেয়নি। এখনো আমার কাছ থেকে টাকা নেয়, মাঝেমধ্যে দেখা করতেও আসে।
ঘটনার পর থেকেই ইলিয়াস গাজী আত্মগোপনে চলে গেছেন। এলাকায় এখন গুঞ্জন—তালাক ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে আইনত বৈধ নয়, তাহলে এই নারী কি প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন?
স্থানীয়রা বলছেন,এ যেন সিনেমার গল্পও হার মানায়—এক বধু, দুই স্বামী, আর দুজনের সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ
বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৫













