

সিরাজগঞ্জ তাড়াশ থেকে জিল্লুর রহমান :
সিরাজগঞ্জ তাড়াশে একটি ফসলি জমি কেনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় গ্রাম প্রধানদের পাঁচ লাখ টাকার চাঁদা আবদার পূরণ না করায় মাধাইনগর ইউনিয়নের বলভা গ্ৰামের ছয়টি পরিবারের নারী ও পুরুষসহ প্রায় একুশ জন লোক ছয় মাস যাবৎ ঘরছাড়া হয়ে অন্যত্র বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এদিকে শনিবার ২রা মে দুপুরে জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবার গুলো এর প্রতিকার চেয়ে, তাড়াশ থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। অবশ্য এবিষয় তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান শনিবার দুপুরে জানান এ বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। এমনকি এঘটনায় ঘটনা স্থলে একাধিক বার পুলিশ পাঠানো হয়েছে, পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারকে এজাহার দাখিলের জন্য ডাকা হয়েছে কিন্তু তারা আসেনি ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঐ গ্রামের বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের পক্ষে মোঃ রুবেল রানা এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী পরিবারের নারী সদস্য জাহেরা, আমিনা, ফুয়ারা ও নাসরিন খাতুনসহ শিশু ও পুরুষ সদস্যরা।
লিখিত বক্তব্যে রুবেল জানান, তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বলভা গ্ৰামের একটি ফসলি জমি তার বাবা মোঃ আহসান হাবীব কেনেন , কেনার পর ঐ গ্রাম প্রধান নাসির মতিন হালিম ও মেহেদী হাসান, ধারনা করেন আমাদের কাছে আরো অনেক টাকা আছে। তাই ৫ লক্ষ্য টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু সেই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে, প্রথমে আমাদের ছয় ভাইকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়। এর পর আমরা টাকা না দিলে তারা আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর সহ ফ্রিজ টিভি কম্পিউটার ফ্যান আরো অনেক জিনিস পত্র লুটপাট করে। একই সাথে তারা আমাদের বসত ভিটার সব ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন, তাছাড়া প্রাণনাশের হুমকি দিলে প্রান ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছি প্রায় ৬ মাস যাবৎ।
অন্যদিকে আমাদের ৯ বিঘা জমির ধান পেকে গেলেও ঘরে তুলতে পারছিনা।
মুঠোফোনে পাঁচ লাখ টাকার চাঁদা দাবি অশিকার করেন গ্ৰাম্য প্রধান নাসির উদ্দিন তিনি জানান আমাদের সঙ্গে তাদের জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলছে। তবে কোন চাঁদা দাবি করেননি। লুটপাট প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে এড়িয়ে যান।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান জানান এজাহার দিলে মামলা নেওয়া হবে। তাছাড়া শুনেছি স্থানীয় ভাবে বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা চলছে।
প্রকাশিত : সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ খ্রি.
















