

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধা আদালতে মামলায় হাজিরা দিতে এসে বাদী পক্ষের হামলার শিকার হয়েছেন আসামী পক্ষ। এ ঘটনায় ১ মাস ৫ দিন বয়সী এক শিশু ও নারীসহ ৩ জন আহত হয়েছেন।

জানা যায়, গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে একটি মামলায় বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা শেষে বাড়ি ফেরার পথে আদালতের গেইটে অতর্কিত এ হামলার শিকার হন আসামী পক্ষের লোকজন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন— ১ মাস ৫ দিন বয়সী শিশু কন্যা (নাম রাখা হয়নি), তার মা বিউটি বেগম ও খালু আবু তালেব। তাদের মধ্যে ১ মাস ৫ দিন বয়সী শিশুসহ আবু তালেব গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এসময় অপর আসামী মাসুদা আক্তার, তাঁর বড় বোন ফুলু রানী ও তাঁদের পিতা সৈয়দ আলী এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা নানারকম হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যায়। হামলার শিকার সকলেই সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ও শান্তিরাম ইউনিয়নের খামারপাঁচগাছি ও পরান গ্রামের বাসিন্দা।
হামলাকারীরা হলেন— উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের আলাপ উদ্দিনের ছেলে সৈয়দ আলী (৫৫), তাঁর স্ত্রী হামিদা বেগম (৪৫), ছেলে শিপুল মিয়া (২৬), হাসান আলী (৩২), জেলা শহরের ব্রিজরোড মিঞাপাড়াস্থ জহুরুলের ছেলে সোয়াব আলী (২০) সোয়াব আলীর মা স্ত্রী শিমুলী বেগম (৩৫)।
এঘটনায় আবু তালেব গাইবান্ধা সদর থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ করেন, তাঁর শ্যালিকা মাসুদা আক্তার পারিবারিক আদালতে একটি মামলা করেন। পরে মাসুদার স্বামী হাসান আলী ১০০ ধারার বিধানমতে আতালতে একটি পাল্টা মামলা করে হেরে যান। কিছুদিন পর হাসান আলী আদালতে আবারও একই ধারায় আর একটি মামলা করেন। এই মামলার ধার্য তারিখে আবু তালেবসহ সকল আসামী (৫জন) হাজিরা দিতে এসে এ হামলার শিকার হন।
এব্যাপারে হাসান আলী মুঠোফোনে কল রিসিভ না করায় কথা হয় তার পিতা সৈয়দ আলীর সঙ্গে। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। এরপর শিমুলী বেগমের স্বামী ও শিপুলের পিতা জহুরুল হক বলেন, বাসায় ফিরে তাঁর ছেলে ও স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানাবেন। এরপর আর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ প্রাপ্তির কথা জানিয়ে সদর থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুল ইসলাম জানান, তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রকাশিত: শনি বার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.














