

মো: মহিউদ্দিন, ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা:
ফরিদগঞ্জ পৌরসভাটি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর ২১ বছর অতিবাহিত হলেও এ যাবত নিজস্ব জায়গা ও ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। ১৯.৭৫ বর্গ মাইলের আয়তনের পৌরসভাটিতে ২০২২ সনের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী ৪০ হাজার ৭শত ৮৮ জন লোক বসবাস করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখলে নিয়ে ক শ্রেণীর এই পৌরসভাটির কার্যক্রম চলছে। পৌর কর্তৃপক্ষ ৫০ শতক জমি বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করে , স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে। পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড মতামত চেয়ে চিঠি পাঠায় চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডকে। চিঠি চালাচালিতে দীর্ঘ সময় চলে যায়। বাস্তবে তেমন কোন লাভ হয়নি।
সম্প্রতি পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়ার উদ্যোগে জেলা প্রশাসক পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে গুরুত্বের সাথে চিঠি পাঠিয়েছেন বলে, পৌর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
পৌরসভাটি ‘ক’শ্রেণীর হওয়া সত্ত্বেও নাগরিক সুবিধা খুবই অপ্রতুল। নেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, ষ্ট্রীলাইটিং ব্যবস্থা। যত্রপত্র ময়লা আবর্জনার স্তুপে পরিণত হয়ে আছে। দুর্গন্ধ আর দুর্বিসসহ নাগরিক জীবনের অন্যতম প্রতীক ফরিদগঞ্জ পৌরসভা। সম্প্রতি পৌর প্রশাসক বাজার এলাকায় লাইটিং ও আংশিক বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহের উদ্যোগ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ সুফিয়ান খাঁন বলেন,একাধিকবার মন্ত্রণালয় পানি উন্নয়ন বোর্ডে চিঠি দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এখনও চেষ্টা অব্যাহত আছে। লোকবলের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ক শ্রেনীর পৌরসভায় ১৬২জন থাকার কথা থাকলেও এখান রয়েছে মাত্র ২৬ জন।
পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া জানান, সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জায়গার বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। লোকবলের বিষয়ে জানান, আয় থেকে ব্যয় মেটাতে হয় বিধায় লোকবল নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছেনা। শত সীমাবদ্ধতার মাঝেও নাগরিক সেবায় চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
প্রকাশিত : বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬














