

মধ্যপ্রাচ্যের গালফভূক্ত রাষ্ট্র কুয়েতের অভিবাসীদের একটা বড় অংশ দেশে ফেরার শঙ্কায় পরেছেন। নতুন প্রস্তাবিত অভিবাসন আইন অনুযায়ী ৮ লাখ শ্রমিককে দেশটি ছাড়তে হতে পারে।
ভারতীয় অভিবাসী ইলেকট্রিশিয়ান, শিভু ক্লেমান্স যিনি করোনা ভাইরাসের প্রকোপে গত ফেব্রুয়ারি থেকে চাকরিহীন, সঞ্চিত অর্থ বলতেও তেমন কিছুই নেই। তারপরও অভিবাসী সংখ্যা ব্যাপকহারে কমানোর পরিকল্পনা হাতে নেয়ার আগে তিনি আশা করছিলেন আবারো কুয়েতে কাজ খুঁজে পাবেন।


দেশটিতে সবচেয়ে বেশি কাজ করা (৪৪ লাখ) ভারতীয় শ্রমিকের ১০ লাখই এখন কর্মহীন। কিন্তু মহামারীতে জ্বালানি তেল ও স্থানীয় চাকরির বাজার বিপর্যস্ত হওয়ায় প্রায় ৮ লাখ শ্রমিককে দেশে ফেরত যেতে হবে। কেননা প্রস্তাবিত অভিবাসন আইনে, কুয়েতে অভিবাসীর সংখ্যা ৪০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে, যেখানে ভারতীয়রা থাকতে পারবে কুয়েতী জনগোষ্ঠীর ১৫ শতাংশ।

কিন্তু এসব ভারতীয় শ্রমিকদের পাঠানো টাকায় দেশে তাদের পরিবারের সদস্যদের ভরনপোষণ চলে। তাই নতুন আইন করোনার পরপরই বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে তাদের প্রবাস জীবনে। নিজ দেশে ফিরেও স্বল্প আয়ে এসব শ্রমিক কাজ পাবেন কিনা সে শঙ্কায় আছেন। দেশে ফেরত আসার ঝুঁকিতে থাকা এসব শ্রমিকের পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য মতে, ২০১৭ সালে কুয়েতে কাজ করা ভারতীয়রা ৪৬০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। যা ভারতের মোট প্রবাসী আয়ের ৬ দশমিক ৭ শতাংশ ছিলো। বিশ্বব্যাংক আশঙ্কা করছে ভারতের মোট প্রবাসী আয় চলতিবছর ২৩ শতাংশ কমে ৮৩০০ কোটি ডলার থেকে কমে আসবে ৬৪০০ কোটি ডলারে।











