

দিপু আহমেদ, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ার ভাঙ্গা ইউপির শিবগঞ্জ বাজারের পাশে উমরপুর এম.এ.খালেক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর সামনে বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউরি ইউনিয়নের হলদারপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক কামাল মিয়া (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে খুন করেছে এক দল দুর্বৃত্তরা।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলার উল্লেখিত স্থানে বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউরি ইউনিয়নের হলদারপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক কামাল মিয়া পার্শ্ববর্তী নোয়াগাঁও গ্রামের এক মুরব্বীর মারা যাওয়ায় মৃত্য ব্যক্তির জানাজার নামাজ পড়ে নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল যোগে শিবগঞ্জ বাজারের কাছে উমরপুর এম. এ. খালেক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সামনে আসা মাত্রই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী একদল দুর্বৃত্তরা রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

এ সময় কামাল মিয়া ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা শেষে তাকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে ডাক্তার বলেন, সে আর জীবিত নেই! মৃত।
মৃত্যুর খবরে সাথে লোকজন ও এলাকায় জানাজানি হলে দু’ পক্ষের লোকজনের মধ্যে টানাটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ঐ এলাকার আবার বড় ধরনের আরো কোন অঘটন ঘটতে পারে।
খোঁজ নিয়ে আরো জানাযায়, মৃত্যুর পূর্বে তার উপর হামলাকারী বেশ কয়েকজনের নাম বলে গেছেন কামাল মিয়া নিহত কামাল মিয়ার সাথে বড়ইউরি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমানের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। ৪ সন্তানের জনক কামাল মিয়ার এক ছেলে প্রতিবন্ধি বলে জানা গেছে। ঐ এলাকার মধ্যে চলছে অরাজকতা। একালার সচেতন লোকজন প্রশাসনের সু- দৃষ্টি রাখার দাবি জানান।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আজিজুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ কর হলে তিনি প্রিয় সময়কে বলেন, মারামারি ঘটনার খবর পেয়েছি। তবে, মৃত্যু খবর এখনও পাইনি। যদি পাই, তাহলে আইনি ব্যবস্থা আবশ্যই নেয়া হবে।











