

বরগুনা প্রতিনিধি :
বরগুনা সদর উপজেলায় কলহের জেরে সালমা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে মারধরের পর বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে স্বামী ফারুক আকনের দাবি তার স্ত্রী ছারপোকা মারার ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরগুনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত ফারুক আকন বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ঘটবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা।
সালমার মেয়ে সুমাইয়া ও নাবিলা জাগো নিউজকে বলে, ‘দুপুরে মা চাল ভাজছিল। বাবা এসে মাকে গালাগালি করে মারধর শুরু করে। আমরা ভয়ে ঘরের বাইরে ছিলাম। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।’
মৃত সালমা বেগমের মা বিলকিস বেগম ও বাবা মোকলেস মিয়া বলেন, যৌতুকের দাবিতে সালমাকে প্রায়ই নির্যাতন করতো ফারুক। কিছুদিন আগেও তিন লাখ টাকা দিয়েছি। এরপরও সে যৌতুক দাবি করে নির্যাতন করে আসছিল। আজ দুপুরেও সে সালমাকে মারধর করে। একপর্যায়ে বিষ খাইয়ে দেয়। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে সালমা মারা যায়। খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে গিয়ে মেয়ের মরদেহ দেখতে পাই।
অন্যদিকে সালমার স্বামী ফারুক বলেন, সালমা সবসময় আমাকে পরকীয়ার সন্দেহ করতো। এসব বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় দিয়েছিলাম। এতে সে ঘরে থাকা ছারপোকা মারার ওষুধ সেবন করে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
বরগুনা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিহার রঞ্জন বৈদ্য জাগো নিউজকে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলী আহম্মদ বলেন, এখন পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










