নারায়ণগঞ্জে লঞ্চডুবির ঘটনায় পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার (২০ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে শীতলক্ষ্যায় নারায়ণগঞ্জে কার্গো জাহাজ এমভি সিটি ৯ -এর ধাক্কায় মুন্সিগঞ্জগামী যাত্রীবাহী লঞ্চটি ডুবে গেছে। ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ডুবরিদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে।

ধারণা করা হচ্ছে এখনো অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন লঞ্চে শতাধিক যাত্রী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শীতলক্ষ্যার কয়লাঘাট এলাকায় একটি কার্গো জাহাজ যাত্রীবাহী লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই লঞ্চটি ডুবে যায়। লঞ্চটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। বেশির ভাগই ছিল শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ১৫-২০ জনের মতো সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন।

বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক (নৌ-নিরাপত্তা বিভাগ) বাবু লাল বৈদ্য জানান, একটি জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে গেছে। এখনো অনেকে নিখোঁজ। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।

এদিকে লঞ্চডুবির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। আজ নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে মোহা. আমিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব আ ন ম বজলুর রশীদকে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন —নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের নটিক্যাল সার্ভেয়ার অ্যান্ড এক্সামিনার ক্যাপ্টেন আবু সাইদ মোহাম্মদ দেলোয়ার রহমান এবং বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। তাছাড়া, নৌ দুর্ঘটনা রোধে করণীয় নির্ধারণে সুপারিশসহ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল অধ্যাদেশ অনুযায়ী দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কারণ উদ্ঘাটন ও দায়ীদের শনাক্ত করার কথা অফিস আদেশে বলা হয়েছে।

You might like