

শরীফ মোঃ মাছুম বিল্লাহ
হাইমচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাজহারুল ইসলাম শফিককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গত ৩ এপ্রিল ২০২৩ সোমবার বিকেলে ছাত্রলীগ নেতা খাদেমুল ইসলাম শিশুর দায়ের করা মামলায় মাজহারুল ইসলাম শফিককে আটক করে হাইমচর থানা পুলিশ। গতকাল ৫ এপ্রিল বুধবার চাঁদপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে তাঁকে।
জানা যায়, গত ২৭ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করে পোস্ট করেন মাজহারুল ইসলাম শফিক। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে ৩০ মার্চ তিনি নিজের আইডি থেকে পোস্টটি ডিলিট করে দেন। সে পোস্টের স্ক্রিনশট রেখে খাদেমুল ইসলাম শিশু বাদী হয়ে হাইমচর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের। এ মামলায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, মাজহারুল ইসলাম শফিককে গ্রেফতার করে মানুষের বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতার ওপর চরম চপেটাঘাত করেছে। সরকার বিরোধী কন্ঠস্বরকে নিস্তব্ধ করার জন্যই একের পর এক কালো আইন প্রনয়ণ এবং সাংবাদিক সহ বিএনপি ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে গ্রেফতারের মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করেছে যে, তারা গনতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য মাটিচাপা দিতে চায়। চলমান দুর্বার আন্দোলনকে ধুলিস্যাত এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের মনে ভীতি সঞ্চার করতেই নিশিরাতের বর্তমান অবৈধ সরকার ধারাবাহিকভাবে নির্যাতন ও জুলুম চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিএনপিসহ সরকারবিরোধী ভিন্নমতের মানুষদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ও গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী দেশবাসীকে বার্তা দিচ্ছে যে, দঃসহ কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করা যাবে না। চাঁদপুর জেলাধীন হাইমচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাজহারুল ইসলাম শফিক সরকারের চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শীকার বলেই তাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে জড়িয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিশেষে হাইমচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাজহারুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার সহ নিঃশর্ত মুক্তির জোর আহ্বান জানান তিনি।








