

স্বরূপকাঠি প্রতিনিধি :
স্বরূপকাঠিতে অজানা ক্ষোভ নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী গলায় ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মৃত গৃহবধূর নাম শর্মি দাস। শর্মি দাস সোনালী ব্যাংক স্বরূপকাঠি শাখার সেকেন্ড ম্যানেজার দীপঙ্কর দাসের স্ত্রী।

সোমবার দুপুরে উপজোলার সমেদয়কাঠি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের স্বামীর বাড়িতে বসে গলায় ফাস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে নেছারাবাদ – কাউখালি থানার সার্কেল মোসা: সাবিহা মেহবুবা ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান। এসময় কিছু আলামত সংগ্রহ করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “তদন্ত ও লাশের পোস্টমার্টেম রিপোর্ট না পেয়ে কিছু বলা যাবেনা।”
শর্মি দাসের স্বামী দিপঙ্কর দাস বলেন আমি কিছু বলতে পারবোনা। ঘটনার দিন আমি অফিসে ছিলাম। অফিসে বসে জানতে পারি স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে।
প্রতিবেশি স্বপন বলেন, দুপুরে তাদের বাসায় চিৎকার শুনে দৌড়ে এসে দেখি। ঘরের লোক শর্মির রুমের দরজা ধাক্কা-ধাক্কি করে খুলতে পারছেনা। এসময় তাদের বাসার সবাই মিলে দরজায় সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে দরজা ভেঙ্গে রুমে প্রবেশ করি। তখন দেখতে পারি ফ্যানের সাথে গলায় ফাস লাগানো শর্মি দাসের লাশ ঝুলছে।
শর্মি দাসের স্বামীর চাচী আলো দাস বলেন, দুপুরে শর্মি রান্না করে রুমে ডুকে মোবাইল চালাচ্ছিল। কিছু সময় পর রুমের দরজা লাগিয়ে দেয় শর্মি। এর কিছুক্ষনের মধ্য তার ছোট ছেলে স্কুল থেকে ফিরে বাসায় ডুকে রুমের কাছে গিয়ে তার মাকে ডাক দিলে দরজা খুলেনা। এসময় সবাই ছুটে এসে দরজা ভেঙ্গে দেখি সে ফ্যানের সাথে ফাস লাগিয়ে ঝুলছে।
নেছারাবাদ থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) জাফর আহমেদ জানান, শুনেছি আত্মহত্যা। লাশ পোস্টমার্টেম না করে সঠিক কিছু বলা যাবেনা।











