

মনপুরা প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ঘরে থাকব। আর আমাদের কষ্ট হবেনা। আগে খুব কষ্টে ছিলাম। বর্ষায় বৃষ্টির পানিতে খুব কষ্ট করেছি। এখন খুব আরামে থাকব। ঘর পেয়ে আমরা খুব খুশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ আমাদেরকে ঘর দেওয়ার জন্য। আমাগোরে বিনা পয়সায় সুন্দর ঘর করে দিছেন থাকার জন্য। এখন আমাদের কোন চিন্তা নাই । আমরা ছেলে মেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে আরাম আয়াশে থাকতে পারবো। উপজেলা অডিটোরিয়ামে গৃহহীন ভুমিহীনদের মাঝে গৃহ ও জমির কাগজপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার(ঘর) পাওয়া ১৫৫ ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।

৯ই আগষ্ট বুধবার প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ২২১০১টি গৃহহীন ভ’মিহীনদের মাঝে চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয ধাপে গৃহ ও জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপকার ভোগীদের মধ্যে ঘর হস্তান্তর উদ্ভোধনের পর পরেই উপজেলার প্রকৃত ভুমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে ১৫৫টি ঘর হস্তান্তর করেন উপজেলা প্রশাসন।
প্রধানমন্ত্রীর উপহার গৃহ (ঘর) ও জমির কাগজপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান(ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রহমান রাশেদ মোল্লা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ফজলুল হক, মনপুরা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ জহিরুল ইসলামসহ উপজেলা বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারী দাপ্তরিক প্রধানগন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতষ্ঠিানরে প্রধান, সাংবাদিক ,জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
সোনারচর ওয়ার্ডে নির্মিত প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে খুব খুশি ৬০ বছর বয়সী ছায়া রানী দাস। প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে আনন্দিত। চোখে মুখে শুধু হাসির ঝিলিক। ঘর পেয়ে আবেগ আপ্লুত কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার কেউ নেই। সরকার আমাকে একটা ঘর দিয়েছে। এখন আমার কোন চিন্তা নাই। শেখ হাসিনার প্রতি আমরা খুশি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ফজলুল হক জানান, প্রতিটি পরিবারের জন্য দুই শতাংশ খাস জমি বরাদ্ধ দিয়ে ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘর ও জমির কাগজপত্র হস্তান্তর উদ্ভোধন অনুষ্ঠান শেষে ১৫৫ গৃহহীন পরিবারের (উপকারভোগীদের) মাঝে গৃহ হস্তান্তর ও জমির কাগজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে উপকারভোগীরা নতুন নির্মিত প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে থাকতে পারবেন।










