কথা না শোনায় মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করলো বাবা, এরপর মাটিচাপা!

নিউজ ডেস্ক :
কথা না শোনায় মারিয়া আক্তার (৫) নামে এক শিশুকে হত্যার পর মরদেহ মাটিচাপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লার সদর দক্ষিণে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা তাজুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। খবর বাংলা ভিশনের

রবিবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জোড়কানন পূর্ব ইউনিয়নের নির্ভয়পুর গ্রামের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ২০৯৩ নম্বর পিলারের বাংলাদেশ অভ্যন্তর থেকে নিহত শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মারিয়ার মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত শিশুটির নাম মারিয়া সুলতানা (৫)। সে রেহানা আক্তার ও তাজুল ইসলামের মেয়ে। তাজুল ইসলাম পরিবার নিয়ে নির্ভয়পুর গুচ্ছগ্রামে থাকতেন।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মারিয়াকে দুদিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তার পরিবারের সদস্যরা মারিয়ার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে মাইকিং করেন। এরপরই মারিয়ার বাবা গা ঢাকা দেন। এতে সন্দেহের তীর যায় বাবা তাজুল ইসলামের দিকে। ১৩ অক্টোবর বিকালে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত বাবাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে বের হয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

তাজুল ইসলাম প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান, গত ১১ অক্টোবর সকালে তাজুল ইসলাম তার মেয়েকে গাছ কেটে নিয়ে আসার জন্য বলেন। বাবার কথায় সাড়া না দেয়ায় তাজুল ইসলাম তার মেয়ের ওপর ক্ষুব্ধ হন। পরে মেয়েকে নিয়ে বাড়ির পাশে গাছ কাটার জন্য যান তাজুল ইসলাম। গাছ কাটার আটি বাঁধার জন্য ঘরে থাকা অন্য গাছগুলো নিয়ে আসতে মারিয়াকে বলেন তাজুল ইসলাম। এবারও তার কথায় সাড়া না দেয়ায় দূরে গিয়ে হাতে থাকা দা দিয়ে মারিয়ার গলার ডান পাশে কোপ দিলে শিশুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে জঙ্গলে মাটিচাপা দিয়ে বাড়িতে চলে যান তিনি। এরপর প্রচার করতে থাকেন মেয়েটি হারিয়ে গেছে। পরে মেয়েকে মারার বিষয়টি তাজুল ইসলাম তার ছোট ভাই নুরুল ইসলামকে জানিয়ে গা ঢাকা দেয়।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বাবা তাজুল ইসলামকে আটকের পর তার দেয়া তথ্যমতে, মারিয়া মাটিচাপা দেয়া মরদেহ জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও জানান, দুপুরে মারিয়ার মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করলে দাফন সম্পূর্ণ করে পরিবারটি। এ ঘটনায় নিহত মারিয়ার মা রেহেনা বেগম বাদী হয়ে মামলা করলে তাজুল ইসলামকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

শ্বেতীর সাদা দাগ দূর করার উপায় কি?

You might like