

মোঃ আসতারুল আলম, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
রাজ পরিবারের প্রাচীন প্রথা অনুযায়ী দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী কান্তনগর মন্দির থেকে শ্রী শ্রী কান্তজীউ বিগ্রহ নৌপথে শহরের রাজবাটীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। শুক্রবার সকাল ৭টায় পূজা-অর্চনা শেষে ঢেপা নদীর কান্তনগর ঘাট থেকে প্রায় ২৫টি নৌকার বিশাল বহর নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ ২৫ কিলোমিটার নদীপথ অতিক্রম করে রাত ১১টায় রাজবাড়ী কান্তজিউ মন্দিরে বিগ্রহটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোকলেদা খাতুন মীম। যাত্রাপথে নদীর দুই পাড়জুড়ে লাখো ভক্ত শ্রী শ্রী কান্তজীউ বিগ্রহকে একনজর দেখার জন্য ভিড় জমায়। অনেকে ফুল, ফল, দুধ ও নৈবেদ্য হাতে নিয়ে দেবতার উদ্দেশ্যে অর্পণ করেন।

দিনাজপুরের রাজবাটী ঘাটে এসে পৌছালে জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বিগ্রহ গ্রহণ করেন। পরে পূজা-অর্চনা শেষে বিগ্রহটি রাজবাড়ী মন্দিরে স্থাপন করা হয়।
ভক্তদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করে। স্থানীয় ভক্ত অমরেশ চন্দ্র বলেন, প্রতি বছর আমরা এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করি। কান্তজীউ বিগ্রহের নৌযাত্রা আমাদের ধর্মীয় জীবনে নতুন উদ্দীপনা জাগায়।
অন্য এক ভক্ত রঞ্জনা দেবী বলেন, বিগ্রহের দর্শন করতে নদীর তীরে হাজারো মানুষ ভিড় করেছে। আমরা মনে করি, এটি আশীর্বাদ বয়ে আনে।
আরেকজন তরুণ ভক্ত সঞ্জয় কুমার বলেন, এটি শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি দিনাজপুরের ঐতিহ্য। আমাদের প্রজন্মকে এই উৎসবের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে।
রাজ পরিবারের রীতি অনুযায়ী প্রতি বছর ৯ মাস কান্তনগর মন্দিরে এবং ৩ মাস রাজবাড়ী কান্তজিউ মন্দিরে বিগ্রহ অবস্থান করেন। এই সময়ে প্রতিদিন প্রভাতী নামকীর্ত্তণ ও ভোগের আয়োজন করা হয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথা দিনাজপুরবাসীর কাছে এক বিশেষ উৎসব হিসেবে ধরা দেয়।
শুক্রবার, ১৫ আগস্ট ২০২৫ খ্রি., ৩০ শ্রাবণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
অনলাইনে সংবাদ জনপ্রিয় করবেন যেভাবে
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
শেয়ার করুন











