

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর :
চট্টগ্রাম বিভাগীয় গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর–বালিয়া জিসি সড়কের সংস্কার ও মেরামতকাজ চলমান রয়েছে। তবে কাজ বাস্তবায়নে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত করে নিম্নমানের কাজের সত্যতা পেয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) চাঁদপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্দেশে এবং এলজিইডি চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীর মোঃ মনোয়ার উদ্দিনের পরামর্শে চাঁদপুর জেলা এলজিইডির মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরির সহযোগিতায় চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাহাত আমিন পাটোয়ারী, সহকারী প্রকৌশলী মো. তাহসিনুল হোসেন মুকুল এবং উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. সজীব হোসেন নির্মাণাধীন সড়ক পরিদর্শন ও তদন্ত করেন।

তদন্তে সড়কের প্রশস্তকরণের কিছু অংশে নিম্নমানের কাজের আলামত পাওয়া যায়। পরে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে অবিলম্বে ত্রুটিপূর্ণ অংশ অপসারণ করে প্রকল্পের নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী পুনরায় কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নিম্নমানের কাজের অভিযোগে ঠিকাদার এবং দায়িত্বরত উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাহাত আমিন পাটোয়ারী বলেন, বর্তমান সরকার টেকসই ও মানসম্মত উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পে গুণগত মান নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। কোনো ঠিকাদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিডিউল বহির্ভূত বা নিম্নমানের কাজ করলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। যেখানে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যাবে, সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে ত্রুটিপূর্ণ কাজ ভেঙে পুনরায় সিডিউল অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করতে বাধ্য করা হবে।
তিনি আরও বলেন, মানসম্মত ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে জনগণকে দীর্ঘমেয়াদি সেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে এলজিইডি কঠোরভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকল্পের প্রতিটি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং চলবে এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

















