
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :
চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি প্রবিস-১-এর অন্তর্গত হাজীগঞ্জে মিটার বন্ধ, তবুও বিদ্যুত বিল ৩০৯ টাকা দেওয়ায় গ্রাহক ক্ষুব্ধ। ওই ক্ষুব্ধ গ্রাহকের নাম সোহেল মোল্লা।
তিনি আজ তার ফেইসবুক আইডিতে জানান, চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি প্রবিস-১-এর আওতায় যারা রিডিং ম্যান আছেন, তাদের উদ্দ্যেশ করে আমি বলতে চাই,আমি এক জন পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির লাইসেন্স কারি ইলেকট্রিশিয়ান,আমি অনেক স্যার এবং ঠিকাদার ও লাইনম্যানদের সাথে জড়িত হয়ে অনেক ধরনের কাজ করে থাকি, এই যে আমার একটা কারেন্ট বিলের সমস্যা করা হয়েছে, মিটার বন্ধ, এবং ইউনিট শূন্য থাকা অবস্তায়, কি ভাবে দুই মাসে ৩০৯ টাকা বিল আসে,২৪১ বই এর যারা রিডিং করেন, একটু ভালো করে দেখে রিডিং করবেন,আর আমার এটার সমাদান চাই, না হয় করোনা দিয়ে বিপদ সংকেত হতে পারে।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ এলাকার রামপুর গ্রামের আরো এক গ্রাহক জানান, করোনাকালে হাজীগঞ্জ এর রামপুর এলাকায় কোনো মিটার রিডার আসে না। তারা ঘরে বসেই নিজেদের ইচ্ছেমতো বিল করছে। এই গ্রাহক আরো জানান, তাকে গত দুই মাসে একসাথে বিল করেছে ১৯২০ টাকা। যা চরম খামখেয়ালী। আর এই খামখেয়ালীভাবেই নিজেদের মনগড়া মতো বিদ্যুত বিল দিয়ে যাচ্ছে তারা।






