

সজীব খান, চাঁদপুর
চাঁদপুরের বাবুরহাট থেকে মতলব উত্তরের বেড়িবাঁধ হয়ে কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি স্ট্যান্ডার্ড-২ (১০.৩০ মিটার বা ৩৩.৭৯ ফুট) লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে।

কুমিল্লা-১ আসনের এমপি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-২ আসনের এমপি ড. জালাল ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন উদ্দিনসহ তিনজন এমপির আবেদনের প্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত এক আধা সরকারি (ডিও) পত্রে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। গত ২৮ জুন স্বাক্ষরিত পত্রে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পত্রে বলা হয়, চাঁদপুর-২, চাঁদপুর-৩ এবং ড. জালাল উদ্দিন কুমিল্লা-১ এই তিনটি সংসদীয় আসনের মানুষের যাতায়াত ও জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাবুরহাট থেকে মতলব বেড়িবাঁধ হয়ে দাউদকান্দি পর্যন্ত সড়কটি স্ট্যান্ডার্ড-২ (১০.৩০ মিটার) লেনে উন্নীত করার আবেদন করা হয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সড়কটি প্রশস্ত ও আধুনিক মানে উন্নীত করা হলে চাঁদপুর ও কুমিল্লা জেলার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও সময়সাশ্রয়ী হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য, মাছসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দ্রুত পরিবহন করা সম্ভব হবে। এতে পরিবহন ব্যয় কমার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া সড়কটি প্রশস্ত হলে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে। বিশেষ করে: প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহারকারী যাত্রী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা সরাসরি এর সুফল পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এতে আরও বলা হয়েছে, বাবুরহাট থেকে মতলব বেড়িবাঁধ হয়ে দাউদকান্দি পর্যন্ত সড়কটি স্ট্যান্ডার্ড-২ (১০.৩০ মিটার) লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ ও অগ্রগতির প্রতিবেদন দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কটি সরু ও যানবাহনের চাপের কারণে বিভিন্ন স্থানে চলাচলে ভোগান্তি তৈরি হয়।
বিশেষ করে মতলব অঞ্চল থেকে কুমিল্লা হয়ে রাজধানীমুখী যানবাহনের সংখ্যা বাড়ায় সড়কটি প্রশস্ত করার দাবি দীর্ঘদিনের। সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে এবং চাঁদপুর, কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর জেলার মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগ আরও জোরদার হবে বলে তারা আশা করছেন।

















