নদীপথে সক্রিয় চোরাকারবারির দল!

সম্পাদকীয় …

চোরা কারবারির কারণে দেশের ব্যবসার দারুণ ক্ষতি হয়। সেই সাথে ক্ষতি হয় দেশের দরিদ্র পরিবারগুলোর। বিশেষ করে যারা ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হতে হয়।

প্রিয় সময়ে ‘চাঁদপুরে নদীপথে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরাকারবারির দল’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চোরকারবিরা। প্রায় প্রতিদিনই রাতের আঁধারে জমে উঠছে তাদের চোরাকারবারি। নদীপথে রাতের আঁধারকেই তারা কাজে লাগচ্ছেন সবচেয়ে বেশি। চট্রগ্রাম থেকে আসা জাহাজে করে ঢাকা যাবার পথেই চোরাকারবারির সিন্ডিকেট দল বিভিন্ন পন্য চুরি করে তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন অনেক দিন ধরে। চোরাকারবারির মাধ্যমে তারা লাখ লাখ টাকা আয় করে নিচ্ছেন।

জানা গেছে, এসব চোরাই পন্যগুলো হলো, চিনি, স্যার, ভূট্রা, গম, তেল, বিদেশী স্প্রে, অটো বাইকের মটর পার্স, সহ বিদেশী সেম্পু বিদেশী কাপড় যা বাজারে বিক্রি করা হয়। এতে স্থানীয় ব্যবসায়িরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

অপরদিকে ভরা পদ্মা নদীতে যখন বানের পানি বেড়ে যায়, তখন নদীর দু’কূল উপচে প্লাবিত হয় মাঠ-ঘাট ও বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেত। উজানের নেমে আসা ঢলে পদ্মা পারের মানুষ তখন অকাল বন্যার আতঙ্কে দিন কাটালেও সুদিন ফিরে আসে মাদক ব্যবসায়ীদের। আর ভরা পদ্মা হয়ে উঠে তখন ভারত-বাংলাদেশের মাদক চোরাকারবারিদের অভয়ারণ্য। উজান থেকে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে মাদকের বড় বড় চালান। আর ভাটিতে সেই মাদক তুলে নিয়ে দেশের ভেতরে চালান করছে মাদক কারবারিরা। বাহ্! কী চমৎকার চোরাকারবারিদের পদ্ধতি! নদীপথ যেন মাদক পাচারের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিনব কায়দায় মাদক পাচারের ধুম পড়েছে।

আমরা চাই না চোরকারবারিরা এভাবে দিনের পর দিন তাদের কাজ নির্ভয়ে চালিয়ে যাক। এতে করে দেশের ক্ষতি হচ্ছে। সেদিকটি চিন্তা করে তাদের প্রতি আরো কঠোর হওয়া প্রয়োজন বলে আমরা মনে করছি। তাদের ধরার পর আইনের আওতায় এতে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হলে চোরকারবারির পরিমাণ কমে যেতে পারে।

আমরা খবরের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, সঠিক সংবাদ পরিবেশনই আমাদের বৈশিষ্ট্য

আপডেট সময় : ১২:৩১ পিএম

২৮ নভেম্বর ২০২০ খ্রি. ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি, শনিবার

 

You might like