আগুনে পুড়ে মানুষের স্বপ্ন-সাধ

সম্পাদকীয় …

আমরা বসতবাড়ি নির্মাণ করলেও অগ্নিকাণ্ডের কথা বিবেচনা করে করি না। ফলে অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলো আমাদের জীবনে ঘটে যায়। আর আমরা সর্বস্ব হারিয়ে ফেলি আগুন লাগার কারণে।

প্রিয় সময়ে ‘নারায়ণগঞ্জে আগুনে ৩৬ বসতঘর পুড়ে ছাই’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি সর্বস্ব হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি। মুহূর্তের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আগুনে বসতঘরগুললো পুড়ে ছাই হয়ে গেলো।

প্রথমে একটি ঘরে আগুণ লেগে যায়, এরপর পাশাপাশি সবগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ থেকে এটা স্পষ্ট যে ঘরগুলো একেবারে কাছাকাছিই ছিলো। এ কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। সেই হিসেবে কেউ কাউকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসতে পারেনি। কেননা সকলেরই ঘরে আগুণ দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়ায় নিজ নিজ মালামাল রক্ষায় ও চিন্তায় ব্যস্ত থাকায় সকলেই অসহায় হয়ে পড়ে। তাছাড়া এটা পরিস্কার যে, পরিকল্পিতভাবে ঘরগুলো তৈরি করা হয়নি, আগুণ লেগে যাওয়ার কথা মোটেও মাথায় রাখা হয়নি। আমরা জানতে পেরেছি, প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও ৩৬টি ঘর ও ঘরে থাকা আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

অতীতেও আমরা জেনেছি, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মানুষের কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়ে গেছে। সবকিছু পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও আমরা শুনেছি।

এ ধরনের ঘটনার জন্যে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয়। আমাদের সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে। অগ্নিনির্বাপক প্রতিষ্ঠানের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে রাখতে হবে, বালু ও পানি কাছাকাছি রাখতে হবে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট ত্রুটিমুক্ত কিনা যাচাই করতে হবে, কয়েল অথবা বিড়ির আগুন যেখানে সেখানে রাখা যাবে না, ফায়ার সার্ভিসের ফোন নম্বর রাখার পাশাপাশি যেন ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছাতে পারেন সেজন্যে যাতায়াতের রাস্তা প্রস্তুত রাখতে হবে। সেই সাথে বাড়ি নির্মাণেও আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আমরা খবরের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, সঠিক সংবাদ পরিবেশনই আমাদের বৈশিষ্ট্য

আপডেট সময় : ১২:০১ পিএম

০১ নভেম্বর ২০২০ খ্রি. ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি, মঙ্গলবার

You might like