

রাকিবুল হাসান, মনপুরা প্রতিনিধি :
ভোলার মনপুরায় খাবারে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে প্রায় রাতেই একসাথে তিন-চার বাড়ি চুরি করতো সংঘবদ্ধ চোর চক্র। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ে স্থানীয়এলাকা বাসি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চোর চক্রের প্রধান আল-আমিনের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে। অপর সহযোগী মো. সোহেল (৩০)মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে রহমানপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মনপুরা থানার বিশেষ অভিযানে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের প্রধান আল-আমিনসহ (২৫) এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় চুরি হওয়া ৮ আনা স্বর্নের চেইন, দেশীয় অস্ত্রসহ চেতনানাশক ঔষধ উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার(৩১শে) সকাল ১০টা গ্রেপ্তারকৃতদের মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ। পরে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরু মিয়া ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে সোমবার সকালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট এলাকা থেকে চোর চক্রের প্রধান আল-আমিন ও তার সহযোগী সোহেলকে মনপুরার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রাম থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।এবং থানা পুলিশ তাদের কে সরজমিন নিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চক্রের চার সদস্য প্রথমে কোনো এলাকার তিন থেকে চার বাড়ি টার্গেট করে। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় সুযোগ বুঝে ওই সমস্ত বাড়ির রান্না ঘরে প্রবেশ করে তেল মিশ্রিত চেতনানাশক ঔষধ গুড়ো করে ভাত ও রান্নার সাথে মিশিয়ে দিত। পরে বাগানে অপেক্ষা করতো কখন বাড়ির সদস্যরা রাতের খাবার খায়। পরে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খেয়ে বাড়ির সদস্যরা ঘুমে অচেতন হয়ে পড়লে একসাথে পরপর তিন-চার বাড়ি চুরি করে বাড়ির স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যেত চক্রটি।

এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, চক্রের প্রধানসহ এক সহযোগীকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। চক্রের অপর দুই সদস্যকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।










