

মাকসুমুল মুকিম, দোহার-নবাবগন্জ (ঢাকা) :
ঢাকার দোহার-নবাবগঞ্জে বাড়িতে ফিরল পাঁচ রেমিট্যান্স যোদ্ধার লাশ। শুক্রবার বিকেল ৩ টার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে পাঁচ রেমিট্যান্স যোদ্ধার লাশ তাদের বাড়িতে আনা হয়। গত ৭ জুলাই দুবাইয়ের আজমান প্রদেশে গাড়ি বিস্ফোরণে নিহত পাঁচজনের মধ্যে একজনের বাড়ির দোহার উপজেলায় এবং অপর চারজনের বাড়ি নবাবগঞ্জ উপজেলায়।

নিহতরা হলো- হিরা মিয়া(২২) দোহার উপজেলার দোহার খালপাড় এলাকার মঞ্জু মিয়ার ছেলে। বাকি চারজনের বাড়ি নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বালেঙ্গা গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে রানা(৩০), আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রাশেদ(৩২), শেখ ইরশাদের ছেলে মো. রাজু(২৪), শেখ ইব্রাহিমের ছেলে ইবাদুল ইসলাম(৩৪)। এরা পাঁচজনই দুবাইতে এক জায়গায় কাজ করতেন।
শুক্রবার সকাল নয়টায় বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি কার্গোবিমানযোগে নিহতদের মরদেহ দেশে আসে। বেলা তিনটার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে পাঁচ রেমিট্যান্স যোদ্ধার লাশ তাদের বাড়িতে আনা হয়। লাশবাহী গাড়ী সাইরেন বাজিয়ে এলাকায় যখন ঢুকছিল তখন রাস্তার পাশে শত শত নারী-পুরুষ ভিড় করছিল। গ্রামের বাড়িতে মরদেহ আসার পরে বাদ আসর জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় গ্রামজুড়ে চলছে এখন শোকের মাতম।
উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে দশটার দিকে রানা নিজেই প্রাইভেট গাড়ী চালিয়ে অপর চারজনকে নিয়ে কাজে যাচ্ছিলেন। কাজের উদ্দেশে বের হয়ে ওই পাঁচজন দুবাই শহর থেকে যাওয়ার পথে আজমান প্রদেশে রাস্তায় একটি ডিজেল বহনকারী ট্যাংকারের সাথে ধাক্কা লেগে গাড়িটি হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। এতে করে রানাসহ পাঁচ প্রবাসী নিহত হয়।
প্রকাশিত : শনিবার, ০৩ আগস্ট ২০২৪
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
শ্বেতীর সাদা দাগ দূর করার উপায়
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন











