

“সম্পাদকীয়”
পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। হাটবাজারসহ মাঠ পর্যায়ে এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে পলিথিন নিষিদ্ধ করতে জোরালো উদ্যোগ নিলেও গায়ে বাতাস লাগাচ্ছে না মানুষজন। হাটবাজার থেকে শুরু করে পলিথিন কারখানায় চালানো হচ্ছে অভিযান; তবুও কমছে না এর ব্যবহার। থেমে নেই এর অবাধ ব্যবহার! সুপার শপে পলিথিনের ব্যবহার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও হাটবাজারসহ মাঠ পর্যায়ে এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, পলিথিনের ব্যবহার রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ। পরিবেশ দূষণরোধে যেমন জনসচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন, তেমনই প্রয়োজন পলিথিনের উৎপাদন বন্ধ করা। এর এর উৎপাদনই বন্ধ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া দরকার জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পলিথিনের বিকল্প ব্যাগ তৈরির ওপর জোর দেয়া। কিন্তু তা’ অত্যন্ত ব্যয়বহুল বলেই বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।
আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাজার থেকে ক্রেতারা যত ধরনের পণ্য কেনেন, তার সবকিছুতে থাকছে পলিথিনের ব্যবহার। সাধারণ ক্রেতারা বলেছেন, পলিথিনের বিকল্প হিসেবে দামে সস্তা ও সহজলভ্য কিছু চালু করতে না পারলে মাঠপর্যায়ে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব হবে না। অবস্থাদৃষ্টে, একজন সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই চাইবে কেনাকাটায় পলিথিন ব্যবহার করতে। কারণ দোকানি পণ্যের সঙ্গে পলিথিনের ব্যাগ ফ্রি দিচ্ছে। একটা পলিথিনের ব্যাগের দাম আকার ভেদে ২৫ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ এক টাকা।

অপরদিকে সরকার বিকল্প হিসেবে যা দেখাচ্ছেÑতা কেনা সাধারণ মানুষের কাছে বিলাসিতা। পলিথিনের মতো করে এমন কিছু তৈরি করতে হবে, যা খুব সহজেই দোকানিরা ক্রেতাদের দিতে পারে। পলিথিনের ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সবাই জানেন। দৈনন্দিন জীবনে পলিথিন ব্যবহারের বিকল্প এখনও সচরাচর নয়। পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করতে দোকানিদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমরা মনে করি, পলিথিনের মতো কম দামি পরিবেশবান্ধব কিছু পেলে নিশ্চয়ই সেটি ব্যবহার করবো। কিন্তু সবাই শুধু পলিথিন ব্যবহার করতে নিষেধ করে। কিন্তু তার বিকল্প কী ব্যবহার করবো সেটি বলে না। আর যা বলে তা আমাদের জন্য লাভজনক না।
পলিথিনের মতো সহজলভ্য কিছু আমাদের দিলে অবশ্যই তা ব্যবহার করবো। তখন সরকার চাইলে জেল-জরিমানা করতে পারে। এটাই তো সমাধান হতে পারে! পণ্যের কেনাবেচার সঙ্গে যেমন পলিথিন যুক্ত, তেমনই গৃহস্থালির অনেক কাজেও পলিথিনের ব্যবহার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সত্যিকারে পলিথিন আমাদের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। যদিও এর ব্যবহার পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিছু ক্ষেত্রে কিন্তু এর বিকল্পও নেই। বিকল্প থাকলেও তা সহজলভ্য নয়। জিনিসপত্র কেনাকাটা থেকে শুরু করে রান্নার কাজে, এমনকি গৃহস্থালির টুকিটাকি ময়লা-আবর্জনা রাখা বা ফেলতেও পলিথিন প্রয়োজন হয়। আমরা অনুমান করি যে, চারিদিকে পলিথিনের ব্যবহার মোটেও বন্ধ হচ্ছে না; শুধুমাত্র চেষ্টাই চলছে।
বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন





