

সজীব খান :
চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহাতলী বাজার থেকে বিকাশের এসআর জসিম আখন্দ (৩০) এজেন্টেদের ২২লাখের ও অধিক টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে। এ বিষয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্ত জসিম আখন্দ সফরমালী এলাকার সুগন্ধি গ্রামের রফিক আখন্দের ছেলে। সে শাহাতলী এলাকার বিকাশের এসআর হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন।
শুক্রবার যথানিয়মে বিকাশের লেনদেন করেন সে, শনিবার শাহাতলী রোডে এসআর জসিম আখন্দ না আসলে ধীরে ধীরে টাকা নিয়ে উধাও হওয়া বিষয়টি জানাজানি হয়।
শাহাতলী বাজারের বিকাশ ব্যবসায়ীরা পরবর্তীতে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউট অফিসে ও যোগাযোগ করেন।বিকাশ ডিস্ট্রিবিউট অফিস যোগাযোগ করলে কতৃপক্ষ তাদেরকে কোন প্রকার আশ্বস্ত না করে উল্টো হতাশা করেন বলে ক্ষতিগ্রস্ত বিকাশ এজেন্টরা জানান।
শাহাতলী বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত বিকাশ ব্যবসায়ীর হচ্ছেন আমিনৃল ইসলাম;( সুমন) তার ৫লাখ ২১ হাজার ৫শত টাকা, মোঃ কবির হোসেনের ৩ লাখ ১৪ হাজার ৮শত, মোঃ সোহেল খানের ৩লাখ ১ হাজার টাকা, মোঃ ফরহাদ হোসন (হৃদয়ের) ৩লাখ ৭৯ হাজার টাকা, মমিনুল ইসলামের ৬লাখ ৭৫ হাজার, মানিক খানের ১০ হাজার, মোল্লার বাজারের হামিল মিজির ১০ হাজার মোট ২২লাখ ১২ হাজার ৩শত টাকা নিয়ে সে উধাও হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা জানান শুক্রবার সারাদিন তার সাথে নিয়মিত লেখদেন হয়, কিন্তু শনিবার পূর্বের সময়ে সে না আসলে বিষয়টি ধীরে ধীরে চারদিকে জানাজানি হয় এবং সকলের মাঝে সন্দেহ সৃষ্টি হলে ক্ষতিগ্রস্ত সকল বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক বিকাশ অফিসে গিয়ে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেন।
বিকাশ ডিস্ট্রিবিউট অফিসে কোন প্রকার আশ্বস্ত না পেয়ে সকল ক্ষতিগত ব্যবসায়ীরা সফরমালী এলাকায় জসিম আখন্দের বাড়ি এবং তার শ্বশুর বাড়িতে গিয়েও কোন প্রকার সন্ধান না পেয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে ফিরে আসেন।
বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য ছোট ছোট এসব বিকাশ ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন, আত্মীয়-স্বজন থেকে হাওলাত করে বিকাশ ব্যবসা করে আসছেন, হঠাৎ করে সে এভাবে টাকা নিয়ে উধাও হওয়াতে সকল ক্ষুদ্র বিকাশ ব্যবসায়ীদের বেঁচে থাকার স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন হয়ে ঋনের বোঝা মাথায় এসআর জসিম আখন্দের সন্ধান করছেন।
এসব ক্ষুদ্র বিকাশ ব্যবসায়ীরা দ্রুত জসিম আখন্দের সন্ধানের জন্য বিকাশ ডিস্ট্রিবিউট অফিস কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
শনিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৫














