
মো. মহিউদ্দিন, ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা :
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার পৌর এলাকার ভাটিরগাঁও এরাকায় বাবার বাড়ীতে থাকা অবস্থায় আয়েশা আক্তার (১৯) মৃত্যু হয়েছে। সে একই উপজেলার গাব্দেরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ওমান প্রবাসী মো. সুমনের (২৫) স্ত্রী।
শনিবার ২৩ মে‘ দিবাগত রাত যে কোন এক সময় ফাঁসি দেওয়া অবস্থায় আয়েশার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের লোকজন জানায়।

নিহত আয়েশার পারিবারিক সূত্র জানা যায়, শনিবার রাত ১১ টার দিকে পরিবারের রাতের খাবার শেষ করে ঘুমিয়ে পড়ে সবাই। সেহ্রী খেতে উঠে আয়েশার পরিবারের লোকজন দেখে আয়েশার মৃত দেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আছে। এতে পরিবারের সকলের ডাক চিৎকার শোনে প্রতিবেশীরা এসে দেখে আয়েশার মৃত্যু দেহ। এদিকে আয়েশার ছোট বোন খাদিজা আক্তার জানিয়েছে রাতে আয়েশা আপা দুলা ভাইয়ের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলা অবস্থায় ছিলো। আমি মেঝেতে ঘুমিয়েছি। ভোর রাতে উঠে দেখি আপার মৃত দেহ ঝুলে আছে।

আয়েশার পরিবার সূত্র আরো জানিয়েছে, এবছর দুই মাস হয় একই উপজেলার ১৫ নং ইউপির গাব্দেরগাঁও গ্রামের আলী আহাম্মদ এর ছোট ছেলে প্রবাসী মো. সুমনের সাথে পারিবারিক ভাবেই তাদের বিবাহ হয়। বিয়ের ৩ মাস পরে সুমন বিদেশে চলে যায়। সুমন বিদেশে যাওয়ারপর থেকেই আয়েশার শ্বশুড় বাড়ির কলহের কারনে বাবার বাড়ীতে চলে আসে। সে দীর্ঘ ৭ মাস পূর্ব থেকেই বাবার বাড়ীতে থাকতো।
আয়েশার শাশুড়ির সাথে কথা হলে তিনি জানান, তার পুত্রবধু আয়েশা তার বাবার বাড়ীতে থাকতো। ওই খানে থেকেই তার ছেলের সাথে যোগাযোগ রাখতো সে। কি কারনে আয়েশার মৃত্যু হয়েছে আমি জানি না।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব জানিয়েছেন, আয়েশার মৃত দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর পাঠানো হয়েছে এবং ফরিদগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।










