

মাকসুমুল মুকিম, দোহার-নবাবগন্জ (ঢাকা) : ঢাকার দোহারে বটিয়া (নূরপুর) নয়ন (২৬) নামে এক যুবকের রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে।
আজ ২১ জুন দুপুরে জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাতের যে কোন সময়ে, তার নিজ পৈত্রিক বাড়িতে ফাঁস দিয়ে আত্ন হত্যা করে বলে জানা যায়।

নয়ন দোহার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের বটিয়া (নূরপুর) এলাকার জয়নাল বেপারির ছেলে।
নয়নের মা ও বাবা জানান, স্ত্রী রেশমা (২০) অন্যত্র এক বৃদ্ধের সাথে চলে যাওয়ার শোক সইতে না পারায় নয়ন আত্মহত্যা করে বলে ধারণা তাদের। রেশমা মাদারীপুরের লাঙ্গলকোট এলাকার জাহাঙ্গীর মীরের মেয়ে।
নয়ন ৭ বছর ধরে বিয়ে করে, স্ত্রী, দুই মেয়েকে নিয়ে নানা যায়গায় ভাড়া থাকতো। কবে কখন নয়ন মাদারীপুর থেকে দোহারে এসেছে, এই বিষয় টি পরিবারের কেউ জানেই না।
নিহত নয়নের দুইটি মেয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
নয়নের মা বাবা আরও বলেন, আমরা পরিবারের দুই জন সকাল ভোর ৫ টায় আমাদের জমিতে সবজি কাটতে যায়। সকাল ৬টায় রান্না করার জন্য ঘরের ভীতর খরি আনতে গেলে, ঘরের দরজা খুলে দেখি নয়ন ফাঁস দিয়ে ঝুলে মরে আছে।
পরে আমি চিৎকার দিয়ে আমার ছোট ছেলেকে ডাকি, যে তর ভাই নয়ন দেখি ফাঁস দিয়ে মরে আছে ।
পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায়, মরদেহটি দুপুর ১টায় দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
লাশটি বাড়ির উঠানে রাখলে এক হৃদয়বিদারক শোকের ছায়া নেমে আসে।
নয়নের বাবা, জয়নাল বেপারি জানান, আমার ছেলের বউর চরিত্র ভালো ছিল না। আমি হটাৎ একদিন আমার ছেলের ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখি, ঠান্ডার মধ্যে খালি গায়ে পাশের রুমে শুয়ে আছে। আর আমার ছেলের বউ আরেক পুরুষ মানুষের সাথে চাদর গায়ে দিয়ে শুয়ে আছে। পরে আমার ছেলেকে বললাম এই বউ দিয়ে তর সংসার হবে না। তুই তারাতাড়ি এই বউ ছেড়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে কর।
গোপন সংবাদে জানা যায়, নয়ন আসলে দোহারে মানুষের বাড়ি বাড়ি ডাব পারতো। এই ডাব মাঝে মাঝে না বলে ও ডার পেরে নিত।
যেমন গতকাল মধু শিকদারের মেয়ে, ফালির গাছের ডাবও নাকি না বলে পেরেছে। নয়নের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ নিয়ে ফালি নয়নকে জিজ্ঞেস করে, না বলে ডাব পারছত কেন। বিভিন্ন কথা বলার পর নয়ন ফালিকে জানায় ডাব পারছি, ডাব পরে ফিরত দিয়ে দিবো বলে জানায় নয়ন।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, নয়ন যে ঘরের আরার সাথে ফাঁস দিয়েছে, তাতে দেখা যায়, আরার ঠিক নিচেই চকি রয়েছে। এবং অনেক গুলা প্লাস্টিকের বস্তা বন্দী পাতা রাখা আছে। ফাঁস দিতে গেলে রাতটুকু যায়গার উচ্চতার দরকার হয় সে যায়গা বা উচ্চতা নেই, কোন ওরনা( মাফলার) বা দরি দিয়ে ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে চাইলে, পা চকিত বা প্লাস্টিকের বস্তায় পা ঠেকে যাবে। ফাঁস হবে না। বাস্তবতা ঠিক এমনই ছিলো। বাকিটা নয়ন বেচেঁ গেলে হয়তো সঠিক ব্যাক্ষা পাওয়া যেত।
নয়নের বোনের জামাই বলেন, নয়ন যে ঘরে ফাঁস লাগিয়ে ছিলো, সেই ঘরের দরজা বাহির থেকে ছিকল দেওয়া ছিল।
নয়নের মৃত্যু থেকে, বিভিন্ন সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে, তাহলে কেউকি কোন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের সাথে জরিত থাকায়, নয়নকে মেরে তার ঘরে নিয়ে গিয়ে, ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রাখলো।
নাকি বউয়ের পরকিয়া ও অন্য পুরুষের সাথে চলে যাওয়ায় সইতে না পেরে এমনটা করলো ।
তাছাড়া নয়নের মায়ের দাবি, নয়ন বাসায় থাকে না। অন্য কোথাও ভাড়া থাকে। কোথায় কই, কার বাড়িতে নয়ন ভাড়া থাকে ঠিক সটিকটা তারা জানে না। কবে কখন কোনদিন বাসায় আসছে, তাও আমরা পরিবারের কেউ জানিই না বলে জানান নয়নের মা।
এসব নানা বিষয় মাথায় রাখলে, দেখা যায় নয়নের রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে।
প্রকাশিত : শুক্র বার, ২১ জুন ২০২৪
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
পাইলস ফিস্টুলা রোগের কারণ ও প্রতিকার










