কাল চাঁদপুর ইউনানী তিব্বীয়া কলেজের প্রতিষ্ঠাতা শাহাদাৎ হোসাইন পাটওয়ারীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী

হাকীম মোঃ সিদ্দিকুর রহমান প্রামানিক :

আগামীকাল সেই ৯ মার্চ। এই দিনে বাংলাদেশের সুনাম ধ্যন্য ব্যক্তিত্ব ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের উজ্জল নক্ষত্র চাঁদপুরের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট লেখক চিকিৎসক ও গবেষক হাকীম এম এম শাহাদাৎ হোসেন পাটওয়ারীর নবম মৃত্যুবাষিকী। ‌হাজার মানু‌ষের মা‌ঝে খু‌জি কোথায় পাব আপনা‌কে, কেন জা‌নি ম‌নেহয় আপনার স্পর্শ যেন আমার চার পা‌শে‌ স্মৃ‌তি হ‌য়ে কাঁদায়।

চাদপুরের ইউনানি তিব্বীয়া কলেজের অধ্যক্ষ ও বাংলা‌দেশ বোর্ড অব ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক সিস‌টেমস অব মে‌ডি‌সিন এর সম্মা‌নিত সদস্য হাকীম এম এম শাহাদাত পাটয়ারী। দিনটি ছিল ০৯/০৩/২০১৬ খ্রিঃ হারিয়ে ফেলেছি আপনা‌কে,কিন্তু জা‌নেন কি অদ্ভুত অাপনা‌কে হারানোর পর আমি নিজেকে প্রশ্ন করি, অাপনার মত শিক্ষাগুরু আমার জীব‌নে আর কখ‌নো পাব ? রা‌ত্রি ১১:২০ মিঃ আপনার সা‌থে কথা হ‌চ্ছিল পা‌শে আপনার বড় মে‌য়ে ব‌সে ছিল, রা‌তের খাবার শেষ ক‌রে বললেন সি‌দ্দিক দেখ ত আমাকে দে‌খে কি রোগী ম‌নে হয়, ড়াক্তার অামা‌কে হাসপাতা‌লে রাখ‌তে চায়,‌ দেখ অামা‌কে দে‌খে এত দুর্বল মনে হয়, দেখ‌বে আমি কাল‌কে কলে‌জে গি‌য়ে অ‌নেক কাজ করব , এখন যাও সকাল সকাল অ‌নেক কাজ আছে সাম‌নে পরীক্ষা আছে আমি বললাম জি স্যার।

এরপর রাত ০১ঃ১৫ মিঃ ফোন আসলো। সাথে কান্নর শব্দ ‌বিশ্বাস কর‌তে পার‌ছিলাম না। আপনি দুনিয়াতে ‌নেই যা শুধু ক্ষীণ সময়‌রে জন্য য‌দি জানতাম , এই কথাই শেষ কথা তাহ‌লে অনন্ত কাল অাপনার সা‌থে কথা ব‌লেই যেতাম স্যার ।

আঁকাশ কে চমকে দেয় …

আবার নিমিষেই হারিয়ে যায় …

যেমন আপনার হারিয়ে যাওয়া টা আমার জীবন থেকে …

শুধু একবার না হাজার বার অাপনা‌কে অামার কর্মজীব‌নের পরামর্শদাতা শিক্ষাগুরু হি‌সে‌বে চে‌য়ে‌ছি

হয়তো বুঝতে পে‌রে‌ছি‌লেন অাপ‌নি আর বুঝেও বা লাব‌কি অাপ‌নি তো নাফেরার দে‌শে চ‌লে গে‌লেন স্যার ।

অাল্লাহ জা‌নেন অামি কতটা কতটা কষ্ট পে‌য়ে‌ছি। দেখ‌তে দেখ‌তে একটি বছর পার হ‌য়ে গেল ।

ক‌লে‌জের প্র‌বেশ কর‌তেই অাপনার টে‌বি‌লের দি‌কে চোখ চ‌লে যায় অার অাপনার কথা ম‌নে প‌ড়ে , জীব‌নে অ‌নেক মানু‌ষের সা‌থে দেখা হ‌বে কিন্তু অাপনার মত কাউকে পাব‌ কি না। অাল্লাহ অাপনা‌কে জান্নাত বা‌সি হি‌সে‌বে কবুল করুক। অা‌মিন

তিনি ১৯৫১ইং সনের পহেলা আগষ্ট বুধবার জন্ম গ্রহন করেন। পিতা হাকীম মৌঃ মোঃ ওয়ালিউল্লাহ পাটওয়ারী ছিলেন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের আরবী শিক্ষায় শিক্ষিত অত্র এলাকার এক জন জ্ঞানি গুনী ধার্মিক ব্যাক্তিত্ত¡।এই সুবাদে তাঁর বড় ছেলে হাকীম শাহাদাত হোসেন পাটওয়ারীকে মাদ্রাসার উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেন। মাতাঃ আলফাজুন্নেছা ছিলেন পুত্রের শিক্ষা জীবনের বন্ধু। মা আরবী শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা এবং ইংরেজী শিক্ষার শিক্ষক ও ছিলেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই সৎ , জ্ঞানী এবং অত্যন্ত ধৈয্যের ও অধিকারিনী ছিলেন।

হাকীম এম এম শাহাদাত হোসেন পাটওয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা ফরিদগঞ্জের নিজ গ্রামেই সম্পন করেন। উক্ত থানাধীন বদরপুর কাসেমূল উলুম জুনিয়র মাদ্রাসা থেকে ১৯৬১ইং সনে দাখিল, চাঁদপুর পুরান বাজারস্থ ওসমানিয়া ছিনিয়র মাদ্রাসা হতে ১৯৬৫ইং সনে আলিম এবং উক্ত মাদ্রাসা হতেই ১৯৬৭ইং সনে ফাজিল পরীক্ষা উর্ত্তীন হন। সিলেট সরকারী ইউনানী তিব্বীয়া কলেজ হতে ১৯৭১ইং সনে ডি. ইউ. এম. এস. কোর্স সম্পন করেন। একই সাথে আধুনিক শিক্ষায় ১৯৭৩ইং সনে সিলেট মদন মোহন কলেজ হতে এইচ এস সি পাশ করেন। তিনি ১৯৭১ইং সাল হতে সিলেট কলেজেই আট মাস খন্ডকালীন অনারারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

হাকীম এম.এম. শাহাদাত হোসাইন পাটওয়ারী সাহেব ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানকে যুগোপযুগী ও চিকিৎসা শিক্ষা সম্প্রসারন কল্পে ইউনানী চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা প্রাধান্য দেন। গ্রীকো এরাবিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম প্রখ্যাত হাকীম মৌঃ মোঃ ওয়ালী উল্যাহ পাটওয়ারী যুগ্য উত্তর সুরি ও সু-সন্তান হিসাবে তার পিতা চিকিৎসা বিজ্ঞানের শিক্ষা সম্প্রসারনের লক্ষ্যে হাকীম এম এম শাহাদাত হোসেন পাটওয়ারী তাঁর সারবিক আত্ননিয়োগ করেন। তৎকালীন সময়ে সমগ্র বাংলাদেশে মাত্র তিনটি ইউনানী চিকিৎসা শিক্ষার বিদ্যাপিঠ ছিল। উক্ত বিদ্যাপিঠ সমূহের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশের জনগোষ্ঠির মধ্যে ইউনানী চিকিৎসা শ্রাস্ত্রের পরিপূর্ন বিকাশ হওয়া সম্ভব নয় বলে তিনি বিষয়টি অনুভব করেছিলেন।

পিতার উৎসাহে ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানকে প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৭৫ইং সনে চাঁদপুরে একটি ইউনানী কলেজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন। উক্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নার্থে চাঁদপুর শহরে হাকীম এম এম শাহাদাত হোসেন পাটওয়ারী তার পিতার প্রতিষ্ঠিত শেফা দাওয়া খানার কাঠের দোতলায় তার সদ্য প্রতিষ্ঠিত চাঁদপুর ইউনানী তিব্বীয়া কলেজের দাপ্তরীক কার্যক্রম শুরু করেন। উক্ত তত কালিন সময় কলেজের নিচের তলায় “চাঁদপুরের ইউনানী চিকিৎসার’’ সেবা-কেন্দ্র “শফা দাওয়াখানার ” চিকিৎসার কার্যক্রম পরিচালিত করেছিলেন । তিনি প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে উক্ত কলেজটি সামগ্রীক ভাবে নিজস্ব পৃথক পরিমন্ডলে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানকে আরো গতিশীল করার পরিকল্পনা নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রমের পর পুরাণ বাজারস্থ ওসমানিয়া সিনিয়ার মাদ্রাসার ৪টি কক্ষ ভাড়া নিয়ে সর্বপ্রথম ১৯৭৮ইং সনে ‘‘চাঁদপুর ইউনানী তিব্বীয়া কলেজের’’ শুভ উদ্ভোধন করেন। ফলে তাঁহার কর্ম জীবনের বলিষ্ঠ নেতৃত্তের মাধ্যমে ১৯৭৮ইং সনে উদ্ভোদন কৃত চাঁদপুর ইউনানী তিববীয়া কলেজটি বাংলাদেশ ইউনানী এন্ড আয়ূর্বেদিক সিসটেমস অব মেডিসিন বোর্ড হতে ১৯৮২ইং সনের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয় হতে স্বীকৃতি লাভ করেন। উক্ত কলেজটি প্রথমত দুইটি কক্ষের মাধ্যমে বাইশ জন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে কলেজের পাঠ দান কার্যক্রম শুরু হয়। বলা বাহুল্য বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উক্ত কলেজটির মাধ্যমে হাকীম রওশন আক্তারকে ডি.ইউ.এম.এস কোর্সের সনদ প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেমের প্রথম মহিলা হাকীম সৃষ্টি করার জন্য হাকীম শাহাদাত হোসেন পাটওয়ারী বিশেষ ভূমিকা ইউনানী জগতে চির স্বরনীয় হয়ে থাকবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ১৯৮৩ ইং সনের ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক অধ্যাদেশ নং ৩২ এর তালিকা ভূক্তি হয়। হাটি হাটি, পা- পা, করে চাঁদপুর ইউনানী তিব্বীয়া কলেজটি অগ্রসর হতে থাকে। নিজ অর্থায়নে পুরাণ বাজারেই ওসমানিয়া ছিনিয়ার মাদ্রাসা সংলগ্ন ১০শতাংস জায়গা কলেজের নামে ১৯৯০ সনে ক্রয় করে মাটি ভরাট কাজ সম্পূর্ন করেন।১৯৯৩ ইং সনে নিজ অর্থায়নে ইউ টাইপের একটি টিনসেট ভবন তৈরি করে দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র সহ পাঠদান কার্যক্রম চালু করেন । বর্তমানে কলেজটি দপ্তর কক্ষ, শ্রেণী কক্ষ, দাতব্য চিকিৎসালয়ের কক্ষ ও ছাত্রদের আবাসিক কক্ষসহ মোট ১২ টি কক্ষ ১৬০ ফুট লম্বা ”ইউ” টাইপ বিশিষ্ট কলেজ ভবন নিরমান করেন। যাহার মধ্যস্থলে সুন্দরভেষজ উদ্যানসহ মনোরম পরিবেশের ব্যবস্থা আছে। আরো ব্যাপক ভাবে চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রচার প্রসারের কল্পে ৫০শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও কলেজ আধুনিকায়ন করার লক্ষে বাহের খুলিসাডুলি ৪০ শতাংস জায়গা ক্রয় করে তাতে মাটি ভরাট এর কাজ সমাপ্ত করেছিলেন। কিন্তু দূরর্ভাগ্য বসত উক্ত কলেজের জন্য খরিদকৃত জায়গায় ভবনের কাজ নি¤œান করার পূর্বেই বাংলাদেশের ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানী হাকীম এম এম শাহাদাত হোসেইন পাটওয়ারী না ফেরার দেশে গমন করেন। ১৯৬৫ইং সনে হাকীম এম এম শাহাদাত হোসেইন পাটওয়ারী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্র্তৃক ২ সপ্তাহের একটি প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। ১৯৮৭ইং সনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার নিয়ন্ত্রন মন্ত্রনালয় যৌথ উদ্যোগের আমন্ত্রন পত্র বলে তিনি ভারতে সরকারী ভাবে ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের উপর উচ্চতর প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। ভারতের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভ‚ক্তকৃত ইউনানী ও আয়ুবের্দিক ডিগ্রী মেডিকেল কলেজ হতে তিন মাসের প্রশিক্ষন গ্রহন করেন।একই উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয় তাকে ১৯৮৭ইং সনে প্রথমত ৪৫ দিন দ্বিতীয়ত ২৮ দিনের প্রশিক্ষন সমূহ প্রদানের মাধ্যমে ইউনানী চিকিৎসা শাস্ত্রকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে তাকে উৎসাহিত করেন। ১৯৮৩ইং সনেরসরকারের একটি প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ ইউনানী বোর্ড গঠনকালীন সময়ে বাংলাদেশ ইউনানী এন্ড আয়ুবের্দিক সিস্টেমস অব মেডিসিন বোর্ড গঠন কল্পে বোর্ড সদস্য হিসাবে ১৯৯৩ইং সালে চট্রগ্রাম বিভাগীয় ইউনানী চিকিৎসক প্রতিনিধি হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য তিনি মনোনিত হন। এছাড়াও ১৯৯৭ইং সালে পূনরায় উক্ত পদে নির্বাচিত হন। ২২.০৬.২০০৩ইং সালে বিন প্রতিদন্ধিতায় চট্রগ্রাম বিভাগিয় ইউনানী বোর্ড সদস্য হিসাবে আবারো মনোনিত হন। ২০১৬ইং সনে পূনরায় তৃতীয় বারের মত চট্রগ্রাম বিভাগিয় ইউনানী বোর্ড চিকিৎসক প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক যাচাই-বাচাই করে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চট্রগ্রাম বিভাগিয় ইউনানী চিকিৎসকদের বোর্ড প্রতিনিধি হিসেবে মনোনিত হন।

ইউনানী চিকিৎসা শিক্ষা প্রচার-প্রসার কল্পে ইউনানী চিািকৎসাকে সূ-প্রতিষ্ঠিত করার মানষে তিনি যে সকল কর্মকান্ড সম্পাদন করেন তাহা নি¤েœ সংক্ষিপ্তি ভাবে আলোচিত হলোঃ জাতীয় ভাষা বাংলা ছাড়াও তিনি ইংরেজি, আরবি, ফার্সি এবং সংস্কৃত ভাষায় পারদর্শী ছিলেন ।তাঁর জীবদ্দসায় ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন ইংরেজি, আরবি, ফার্সি এবং সংস্কৃত ভাষায় বিভিন্ন বিষয়ে বই সমূহ সংকলন করে বাংলায় অনুবাদ করে পান্ডুলিপি আকারে পরবর্তি প্রজম্মে জন্য সংরক্ষন করে রেখে গেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো এলমুত তাশরীহ বা শরীর সংস্থান বিদ্যা (এনাটমি), মুআলাজাত-১ বা চিকিৎসা-১ , মুআলাজাত-২ বা চিকিৎসা-২, এলমুত তাশখিশ বা রোগ নির্নয় বিদ্যা, মাহিয়াতুল আমরাজ বা রোগতত্ত¡ বিদ্যা (প্যাথলজি) ইউনানী চিকিৎসা শিক্ষায় ইউনানী ব্যানিজ্যিক ঔষধ শিল্পে ব্যপকতা পাওয়ার লক্ষ্যে মেসার্স আর্ক ইউনানী ল্যাবরেটরীজ নামে উৎপাদন, বিক্রয় ও বিপনন করার একটি ইউনানী ব্যানিজ্যিক ঔষধ শিল্প কারখানা স্থাপন করেন ।

আরবি উর্দ্ধু হিন্দি বই থেকে সংকলন এবং যোজন বিয়োজন করে বাংলা ও ইউনানী ভাষায় হাকীম মোঃ শাহাদাত হোসেন পাটওয়ারী কিছু পাঁচটি বই পান্ডুলিপি করেন এগুলো হলোঃ ১। শরীর সংস্থা বিদ্যা বা এলমূত তাশরীহ ২। রোগ নির্নয় পদ্ধতি বা প্যাথলজী বা মাহিয়াতুল আমরাজ ৩। চিকিৎসা বিজ্ঞান-১ বা মুআলাজাত-১ ৪। চিকিৎসা বিজ্ঞান-২ বা মুআলাজাত-২ ৫। রোগ নির্নয় বিদ্যা বা তাশখীছ

মৃত্যুকালীন সময়ে স্ত্রী, ৩ ছেলে ২ মেয়ে রেখে গেছেন। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দেশের বিভিন্ন ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দোয়া ও স্বরণ সভারর অ‌য়োজন করাহ‌য়ে‌ছে।

লেখক পরিচিতি : প্রভাষক, চাঁদপুর ইউনানী তিব্বীয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

 

প্রকাশ : শনিবার, ০৮ মার্চ ২০২৫ খ্রি.

সোরিয়াসিস হলে কী করবেন?

স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

শেয়ার করুন

You might like