বাবুরহাট বাজারে জেলা পরিষদের সম্পত্তিতে দোকান নির্মাণের কাজ সমাপ্তের পথে

সজীব খান :
চাঁদপুর পৌর সভার ১৪নং ওয়ার্ডে বাবুরহাট বাজারে জেলা পরিষদের সম্পত্তিতে দোকান নির্মানের কাজ প্রায় সমাপ্ত হওয়ার পথে। বাজারের পূর্বের গলি পুরোটাই দোকান নির্মান করার কাজ শেষ হয়েছে, বাবুরহাট বাইতুল ফালাহ জামে মজিদ (বড় মসজিদ) পাশে ও শেষ হয়েছে, শুধু ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ব্রিজের উপর একটি দোকানের নির্মাণ কাজ অসমাপ্ত, আর কবির মিজি মার্কেটের পাশে ৩/৪ টি দোকান নির্মাণ করা অসমাপ্ত রয়েছে, দুই একের ভেতরে সে কাজে ও সমাপ্ত হবে । সরজমিনে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গিয়েছে।

এ নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ হলেও টনক নড়েছেকিনা জানিনা জেলা পরিষদের। জেলা পরিষদের একেবারে নাকের ডগায় এত বিশাল প্রায় শতাধিক দোকান নির্মাণ করা হলো বিষয়টি কেমন যেন প্রশ্নবিদ্ধ মনে হচ্ছে। প্রায় এক মাস যাবত এই নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগের ছেয়ে বেশি পরিধি নিয়ে পূর্বের মালিকরাই এই দোকান ঘর নির্মান করে আসছে।

মানুষের চোখের অন্তর আড়ালে রাস্তার পাশে বেড়া দিয়ে দোকান নির্মান করার কাজ শেষ হয়েছে।এ দোকানঘর নির্মাণে জেলা পরিষদের কোন সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা এমন প্রশ্ন সাধারন মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। এ ভাবে দিনের পর দিন জেলা পরিষদের সম্পত্তিগুলো বেদখল হচ্ছে।

জেলা পরিষদের সন্নিকটে তাদের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি দখল করা হচ্ছে নির্বিঘ্নে। বাবুরহাট বাজারে জেলা পরিষদের প্রায় ৭২ শতাংশ সম্পত্তি রয়েছে বলে জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে।
২০২৪ সালে হাইকোট থেকে জেলা পরিষদ রায় নিয়ে এসে তাদের দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত প্রত্যাশা বহুতল ভবন করার লক্ষ্যে প্রায় শতাধিক ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করেন।

এরপর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর বর্তমান সরকার জেলা পরিষদের কার্যক্রম বিলুপ্তি করলেন। এরপর থেমে যায় বহুতল ভবনের কার্যক্রম।

হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসে বাবুরহাটের জেলা পরিষদের সম্পত্তি, গত আগস্টের কয়েকদিন পূর্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জেলা পরিষদের সম্পত্তি থেকে অবৈধ দোকানপাটগুলো উচ্ছেদ করেন।

এরপর কয়েক মাস যেতে না যেতেই আবার মরিয়া হয়ে উঠে সেই চক্রটি, এখন আবার দোকান নির্মাণের হিড়িক পড়েছে আগের সেই সম্পত্তিতে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, এখন যারা দোকান নির্মান করছে, তা সম্পূর্ন্ন অবৈধ ভাবে, কোন প্রকার ইজারা ও অনুমতি ছাড়াই দোকান নির্মান করা হচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, একবার জেলা পরিষদ হাইকোর্টের আশ্রয় নিয়ে তাদেরকে সেখান থেকে উচ্ছেদ করতে হয়েছে, আবার দখল হওয়ায় জেলা পরিষদকে কি সেই একই পথে আবার হাঁটতে হবে।
কয়েক জন ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, বাড়িতে ফিলার নির্মান করা হয়েছে, একটু মজবুতভাবে করা হবে, কিভাবে দোকান তুলছেন জানতে চাইলে তারা বলেন, সকলে মিলে একত্রে দোকান নির্মাণ করছি, আগে দখলে ছিলাম সেই সূত্রেই।

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫ খ্রি.

সোরিয়াসিস হলে কী করবেন?

স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

শেয়ার করুন

You might like