বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের সহযোগিতা চেয়ে না.গঞ্জ কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক সমিতির আবেদন

 

মোঃ শিপন, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :

দেশের অন্যমত প্রধান খাত শিক্ষা খাতের এক বিরাট অংশ চলে বেসরকারি শিক্ষকদের দ্বারা। কিন্ডারগার্টেন বা প্রাইভেট বিদ্যালয়ে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলো বিশাল এই জনগোষ্ঠী। এটা বাংলাদেশ সরকারের অজানা নয়। অন্যান্য খাত সীমিত আকারে খোলা থাকলেও শুধু এই শিক্ষা খাতকেই পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে। টানা প্রায় ৩ মাসের লকডাউনের প্রভাবে জাতি গড়ার এই কারিগররা মানবেতর জীবনযাপন করছে যা আাজো কারো নজর কাড়তে পারেনি।

সবাই ব্যস্ত আছে করোনাকে পুঁজি করে । ফলে প্রাইভেট শিক্ষকদের কান্না কারো দেখার সময় থাকছে না।

ঐ রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও সরকারি-বেসরকারি সাহায্য যাচ্ছে; আর দেশের নাগরিক হয়েও, জাতি গড়ার কারিগর হয়েও উচ্চ মহলের চোখে পরছে না এ মানবেতর জিবন জাপন।

সবাই জানেন প্রাইভেট শিক্ষকদের ইনকাম সোর্স কি। একজন প্রাইভেট শিক্ষক মাসে ১ হাজার থেকে ৮/৯ হাজার টাকা বেতন পেতেন। ২/৪ টা টিউশন কোচিং করে কোনোরকম জীবনযাপন করতেন।সব সিমিত আকারে থাকলে ও নেই তাদের ইনকাম সিমিত লিস্টে। কি নিয়ে বাঁচবে তারা?? সম্মান ধুয়ে ধুয়ে পান করা ছারা যে তাদের আর কোনো পথ নেই।

লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু চলতে পারে আর দুইজন শিক্ষক জীবন বাঁচানোর তাগিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোচিং করানোর জন্য জরিমানা করা হলো! কিন্তু কেন? এতো সস্তা আবেগ মানুষ কোথায় পায়? নিজ দেশে প্রাইভেট শিক্ষকরা রোহিঙ্গাদের চেয়েও মানবেতর জীবনযাপন কেন করবে?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন, তাদের সহযোগিতা করার জন্য।

You might like