

স্টাফ রিপোর্টার :
গাছ বাঁচলে প্রকৃতি বাঁচবে, প্রকৃতি বাঁচলে মানুষ বাঁচবে এ শ্লোগানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের হামানকর্দ্দি পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়ালিকা প্রকাশ,বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, সোমবার ২৯জুন লানিং এক্সিলারেশন ইস সেকেন্ডারি লেইস প্রজেক্ট, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রকল্পের আয়োজনে বিদ্যালয়ের হলরুমে নবনির্বাচিত বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হুমায়ূন কবির খানের সভাপতিত্বে সহকারী শিক্ষক শওকত হোসেন দীপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা কৃষকদলের সভাপতি এনায়েতউল্ল্যাহ খোকন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মৈশাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুবুব রহমান স্বপন। অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বিএসসি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৈশাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি খান আব্দুস সাত্তার মাষ্টার, মৈশাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন নয়ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান মুকুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী উজ্জ্বল খান, সমাজ সেবক কাশিম খান, মৈশাদী ইউনিয়ন যৃবদলের আহ্বায়ক মাহবুব খান বাবলু, যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন, হামানকর্দ্দি পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আয়শা আক্তার, রেহেনা আক্তার, অপু চন্দ্র রায়, লিটন মজুমদার, শাফায়েত আমীন, জুলহাস হোসেন গাজী, মোঃ আফসার উদ্দিন, হাসান আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও দুর্যোগঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুত করার জন্য বৃক্ষরোপনের বিকল্প নেই, প্রতিজন শিক্ষার্থী নিজ নিজ উদ্যোগ বাড়ি আঙ্গিনায় বৃক্ষরোপন করলে বর্তমান সরকারের ঘোষিত কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
তারা বলেন,পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, উজাড় হওয়া বন পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরে দেশে মোট ২৫ কোটি গাছ লাগানোর একটি বড় পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
হামানকর্দ্দি পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়কে সুমানকে অক্ষুন্ন রাখতে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে, যারা বিতর্ক প্রতিযোগিতার পক্ষে এবং বিপক্ষে অংশগ্রহণ করেছে তারা সবাই চমৎকার উপস্থাপন করেছে। আলোচনা শেষে বিদ্যালয়ে দেয়ালিকা প্রকাশ, বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন করা হয়।

















