

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী :
সামাজিকতা ও মানবিকতার মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলেছে এই সমাজ ও দেশ। তবে যে কোন পেশায় থেকে সেই ব্যক্তি সমাজ তথা দেশকে এগিয়ে নিতে পারেন, যদি কিনা তাঁর হৃদয়ে দেশ প্রেমকে লালন করতে পারেন।

যিনি সমাজ বিনির্মাণে আলোকবর্তিকার মত কাজ করে যাচ্ছেন নিরবে নিঃভৃতে। আর এমনই ব্যক্তিত্ব উদীয়মান স্বেচ্ছাসেবী মোঃ মনজিল হোসেন অপু।

তিনি করোনার শুরু চাঁদপুর জেলা প্রশাসন, পুলিশ, ডাক্তার, সাংবাদিকদের সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
গত ১ এপ্রিল থেকে চাদঁপুর জেলা প্রশাসকের ” উদ্যোগে ত্রাণ যাবে বাড়ি” এই কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত থেকে একজন সেচ্ছাসেবী হিসেবে নিরবে নির্বিঘ্নে কাজ করে যাচ্ছেন।
এই স্বেচ্ছাসেবী প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের থেকে যখন পরিবারের লোকজন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, যখন মৃতের লাশ ঘরে ফেলে রেখে পরিবারের আপন মানুষগুলো পালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই ক্লান্তিকালে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন কর যাচ্ছেন অপুর মতো বহু স্বেচ্ছাসেবীরা।

তিনি ইতিমধ্যে করোনায় আক্রান্ত রোগীর বাড়িতে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী, ওষুধ, ফল, পৌঁছে দিয়েছেন।
মনজিল হোসেন অপু একজন উদীয়মান সমাজকর্মী ও সংগঠক হিসেবেই চাঁদপুর জেলাবাসীর কাছে পরিচিত। তিনি শহরের ৩ নং ওয়ার্ডের জাফরাবাদ বসবাস করেন। তার বাবার হাফেজ মিয়াজী একজন সফল ব্যবসায়ী।
এক অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে মনজিল হোসেন অপু বলেন, মানবসেবাকে সামনে রেখেই দেশের এই সংকট মুহূর্তে কাজ করছি। মানুষের সেবা প্রদানে যে অানন্দ ও তৃপ্তি রয়েছে তা অন্যকিছুতে নেই। করোনাকালে এক প্রকার জীবনের ঝুঁকি নিয়েই সবার দোয়ায় কাজ করছি। আমি মনে করি বিপদ ও সংঙ্কটাপর্ন সময়ে অামারদেরকেই এগিয়ে অসতে হবে। আমি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য: তিনি উদীয়মান প্রজন্ম সংগঠনের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ সেচ্ছাসেবক ফাউন্ডেশন চাদঁপুর সদর উপজেলার সহ প্রধান সেচ্ছাসেবক, স্পর্শ রক্তদান চাঁদপুর, তারুন্যের ঐক্য সমাজ কল্যান সংস্থার এর শুভাকাঙ্ক্ষী ও সি.সি এস করোনা সেচ্ছাসেবী চাদঁপুর জেলার প্রধান সমন্নয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।










