

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :
করোনার প্রার্দুভাবের দিকে তাকিয়ে যখন বিশ্ব, ঠিক তখনি এক প্রভাবশালী পরিবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসহায় পরিবারের বসত ভিটার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কর্তন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ঘোষণা করেছেন মুজিববর্ষের অঙ্গিকার প্রত্যেকে ৩টি করে গাছ লাগান। সেখানে সরকারের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কর্তন কতটা যুক্তি সংগত। এই নিয়ে এলাকায় সচেতন মহলের মাঝে চাপা ক্ষোপ বিরাজ করছে। সচেতন মহলের সকলের দাবি সুষ্ঠু বিচার বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শাস্তি দাবি করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ আগস্ট শুক্রবার সকাল ১০টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মৈশাদী গ্রামের মৈশাদী ক্লিনিক সংলগ্ন মফিজ ডাক্তারের বাড়িতে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ডাক্তার বাড়ির মৃত ছাত্তার ডাক্তারের ছেলে মফিজ ডাক্তার পৈত্তিক সম্পত্তির উপর বসতভিটা নির্মাণ করে দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছেন। তার পাশ্ববর্তী বাসিন্দা আঃ আজিজ মিজি (৫৬) ও তার স্ত্রী ঝনু বেগম (৪৩) এবং তার বড় বোন সফিক ডাক্তারে স্ত্রী রানু বেগম (৪৭)সহ তাদের পরিবারের কয়েকজন মিলে কোন অভিযোগ ছাড়াই বসত ভিটার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলে। গাছ কাটায় বাধা প্রদান করলে তারা উত্তেজিত হয়ে তাদেরকে গালমন্দ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করার জন্য চেষ্টা এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। গাছ কর্তনের ফলে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
ঘটনাটি সাথে সাথে ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হাকিম গাজী ও ইউপি মেম্বার কালাম বেপারীকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন।
সফিক ডাক্তারের স্ত্রী রানু বেগম জানান দুই পরিবারের সাথে তাদের তেমন বনাবনি ছিল না। তাদের পালিত হাঁস-মুরগী বিভিন্ন সময়ে এসে ঘর বারান্দা নোংরা করে আসছে। ঘটানার দিন এই বিষয়ে তাদেরকে ডাক দিলে তারা তাদের রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলে এবং বিভিন্ন ভাষায় গালমন্দ করে।
ঘটনার প্রত্যেক্ষদর্শী এলাকার বাসিন্দা ওয়াসীম পাটওয়ারী সংবাদকর্মীকে জানান, ঘটনার সময় মফিজ ডাক্তারে স্ত্রীর ডাক চিৎকার শুনে দ্রæত এসে দেখি আজিজ মিজির স্ত্রী সহ তার মেয়েরা ধারাালো দা দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলে। আমি উপস্থিত বাধা প্রধান করলে তারা আমাকে মারধর করার জন্য দৌড়িয়ে আসে। আমি ভয়ে সেখান থেকে চলে আসি। এছাড়াও কয়েকজন ঘটনার প্রত্যেকদর্শী ও গ্রাম পুলিশ নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক তারা জানান আজিজ মিজির পরিবাররা অহেতুক বিভিন্ন আসহায় মানুষের সাথে উত্তেজিত হয়ে মানুষদেরকে মারধর করে আসছে। কেউ তাদের সামনে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত ঝনু বেগমের স্বামী আজিজ মিজির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলে তিনি জানান ঘটনাটি পুরো সত্যি নয়। সংবাদটি যাতে পত্রিকায় প্রকাশ না হয় সে জন্য সংবাদকর্মীকে অনুরোধ করেন।
এই বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি বিষয়টি শুনেছি। আমি আমার পরিষদের দুই ইউপি সদস্যকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। অভিযুক্ত পরিবারকে বলেছি পরিষদে এসে লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য। লিখিত অভিযোগ ফেলে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।











