

ঈদুল আযহা মানুষকে ত্যাগ ও কুরবাণীর আদর্শে উজ্জীবিত করে একটি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকারে অনুপ্রেরণা দেয়।

১০ নং নূরুল্যাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইয়াছিন আলী প্রামানিক পবিত্র ঈদুল আয্হা উপলক্ষ্যে ইউনিয়ন বাসী, প্রবাসী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেনঃ-
“কুরবাণীর মহান আদর্শ নিয়ে পবিত্র ঈদুল আয্হা আমাদের দ্বারে সমাগত।
ঈদ-উল-আযহা আমাদের ত্যাগ, শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। ঈদ-উল-আযহার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কাজে অংশ নিয়ে বৈষম্যহীন, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে অবদান রাখতে পারি। এ ঈদ আমাদের সার্বিক ত্যাগের শিক্ষা দেয়। মুসলমানদের নিকট ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আয্হা- এ দু’টি ঈদই আনন্দের দিন।
এ দু’ঈদে মানুষ সকল ভেদাভেদ, হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে পরস্পর পরস্পরের নিকটবর্তী হয় এবং ঈদগাহে গিয়ে নামাজ আদায় করে। দু’টি ঈদ আমাদেরকে শুধু আনন্দই দেয় না, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ও অনৈক্য ভুলে গিয়ে পরস্পরকে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্যরে বন্ধনে আবদ্ধ করে সামাজিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করে। ঈদ আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয়ভাবে ঐক্যের বন্ধন শক্তিশালী করে।
ঈদুল আযহা মানুষকে ত্যাগ ও কুরবাণীর আদর্শে উজ্জীবিত করে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং শোষণ দূর করে একটি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকারে অনুপ্রেরণা দেয়। আমরা যদি ত্যাগের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সকলেই বাস্তবজীবনে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম করতে পারি তাহলেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব হবে।
হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও তাঁর স্ত্রী বিবি হাজেরা ত্যাগের যে মহান আদর্শ স্থাপন করে গিয়েছেন সেইভাবে আমরাও যদি আল্লাহর দ্বীনের জন্য নিজেদের প্রিয়বস্তু, ধন-সম্পদ কুরবাণী করার জন্য প্রস্তুত হতে পারি তাহলেই আমাদের কুরবাণী স্বার্থক হবে।
পরিশেষে ঈদুল আয্হা উপলক্ষ্যে আমি আমার ইউনিয়ন বাসী ও দেশবাসী সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করছি তিনি আমাদের সবাইকে সুন্দর পরিবেশে ঈদুল আয্হা উদ্যাপন করার ও এ ঈদের শিক্ষা বাস্তব জীবনে ধারণ করার তাওফিক দান করুন। তাই আসুন, এই ঈদে পরস্পরের মধ্যে আনন্দ ও দু:খ ভাগাভাগি করে আমরা মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হই।










