

মাকসুমুল মুকিম, দোহার নবাবগঞ্জ (ঢাকা) :
ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ এর সভাকক্ষে দোহার উপজেলা প্রশাসন এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক আয়োজিত ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ এবং বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা-২০২২’ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল ২০২২ তারিখে উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে বিজয়ীদের তালিকা করা হয়। সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সকলকে অত্র অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়।

জমকালো অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সুজাহার বেপারী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা ইসলাম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মো. সুরুজ আলম সুরুজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ভূমিকা রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রকিব হাসান। উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ রোভার শিক্ষকসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে সম্মানসূচক ক্রেস্ট এবং সনদ প্রদান করা হয়। কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হয়েছেন পদ্মা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক এবং নিউজ ৩৯ এর সম্পাদক মুহাম্মদ তারেক রাজীব। দোহার উপজেলা প্রশাসন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস তাকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত করেন।
তারেক রাজীব বর্তমানে দোহার–নবাবগঞ্জ সোশ্যাল মুভমেন্ট ( DNSM) এর সভাপতি, দোহার – নবাবগঞ্জ পেশাজীবি পরিষদের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক, তিনি দোহার প্রেসক্লাবের সাবেক আহবায়ক ছিলেন। তার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। তিনি দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সুপরিচিত স্বেচ্ছাসেবী।
তিনি বান্দুরা হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি, নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট থেকে সাংবাদিকতায় পিজিডি ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১৩ সালে পদ্মা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে তিনি নিযুক্ত হন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি অপ্রত্যাশিত। এরকম কোন কিছু চিন্তা করিনি। নিজ দায়িত্ববোধ, শিক্ষকতা পেশার প্রতি ভালোবাসা, শিক্ষার্থীদের আলোকিত করতে মোটিভেট করাটা আমার একধরনের ভালোলাগা। মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া যে তিনি আমাকে এই বয়সে সম্মানিত করেছেন।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার পিতা-মাতা পরিবারসহ পদ্মা কলেজ পরিবারের নিকট, একইসাথে আমার শিক্ষার্থীদেরসহ বিশেষ ধন্যবাদ জানাই অধ্যক্ষ মহোদয় ও উপজেলা প্রশাসন এবং শিক্ষা অফিসকে। এই পুরস্কার ইনশাআল্লাহ আমাকে আরও দায়িত্বশীল করবে। সবার নিকট দোয়া কামনা করছি। জাযাকাল্লাহ খায়ের।








