

জাকিরুল ইসলাম বাবু, জামালপুর প্রতিনিধি
জামালপুর শহরের কাচারিপাড়ায় তার বেড়ে উঠা। স্থায়ী গ্রামের বাড়ি ইসলামপুর উপজেলার মোশারফগঞ্জে। মূলত এই শহরে থেকেই দীর্ঘদিন যাবত সে,প্রতারণা করে আসছে প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে। তার নাম মেহেদী নোমান। বর্তমানে সে বিলাস বহুল বাড়িতে বসবাস করে এবং কোটি টাকার লাক্সারি ব্যান্ডের গাড়ি ও Vat 69 মদের বোতল তার দৈনন্দিন সঙ্গী। সে মূলত কি করে ও তার টাকার উৎস কি? তার একাধিক অপকর্মের বিষয় গুলো সাংবাদিকের নজরে আসলে এবং প্রতারক মেহেদী তা’ টের পেয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দিকে রূপ নেয়।

এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জোগানদাতা কে? তার ভাই একজন সেনাবাহিনীর আর্মির মেজর। ইতিপূর্বে গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নিউজ করায় সাংবাদিককে হুমকি প্রদান করা সহ টাকা দিয়ে নিউজ বন্ধ করা থেকে শুরু করে পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে, টাকা ফেরত না,দিয়ে,পাওনাদারকে সহ সাংবাদিকের উপর মিথ্যে মামলা দেওয়ার জন্য, মেহেদীর ভাই আর্মির মেজরকে দিয়ে টেলিফোনে জামালপুরের পুলিশ সুপারের কাছে সুপারিশ করায়।
বিষয়টি পুলিশ সুপারের কাছে সন্দেহের মোড় নিলে একপর্যায়ে বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে দায়িত্ব দিলে গোয়েন্দা সংস্থা ঘটনাটা সত্যতা খুঁজে পেয়ে সাংবাদিক ও পাওনাদারকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেন। প্রতারক মেহেদী ব্যর্থ হয়।
পরবর্তীতে পাওনাদার আইনের আশ্রয় নেয়। প্রতারক এখন অন্য পন্থায় এগোনোর চেষ্টা করছে ও বেছেও নিয়েছে চুরি এবং চুরির কাজে লিপ্ত হয়েছে।
আইনের বিচার বিভাগে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করায় ঐ মামলার নথিপত্র ২২-২-২০২৬ তারিখে চুরি করে মামলা ভ্যানিশ করার চেষ্টা করে। অবশেষে সফল হতে পারেনি! তার সহযোগী হাতেনাতে ধরা পরার পর ক্ষমা চেয়ে মুস্লিকা দেয়। তার সহযোগীর চোরের প্রমাণগুলোও সাংবাদিকের হাতে এসেছে।
এক সময় প্রতারক মেহেদী শেখ হাসিনার একান্ত ডাক্তার আব্দুল্লাহ্ তার গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলা ইসলামপুর উপজেলার মোশারফগঞ্জে,তার ভাতিজা পরিচয় দিয়ে চাকরি দেওয়ার কথা বলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে এমন একাধিক অভিযোগও সাংবাদিকের হাতে..
এই বিষয়ে ডাক্তার আব্দুল্লাহর সহকারী এক ডাক্তার বর্তমানে তিনি একটি হাসপাতালের.A,d হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বলেন,প্রতারক মেহেদী যদি ভুল করেও আমাদের আব্দুল্লাহ্ স্যারের নাম ব্যবহার করে,আমরা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।
তিনি আরো বলেন,কিছুদিন আগেও প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলায় মেহেদী কারাগারেও গিয়েছিলো। সেখানে সম্ভবত ২১দিন অথবা ২৪দিনের মতো হাজত খেটে জামিনে বেরিয়েছে। তার স্ত্রী জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে গাইনি বিভাগের ইনডোরে কর্মরত আছেন। ডাক্তার শাকেরার হাজবেন্ড ঐ মেহেদীইতো,একটা ফ্লোট।
এখানেই শেষ নয় প্রতারক মেহেদীর গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে Vat,69 when,এর বোতল সহ হাতেনাতে ধরেন সাধারণ জনতা।
পরবর্তীতে ডিবি পুলিশের মাধ্যমে তাকে জামালপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তার একটি ভিডিও ক্লিপ সাংবাদিকের হাতে সুযত্ন সহকারে রয়েছে। প্রতারক মেহেদীর এই টাকার উৎস কোথায়? এই বিষয়ে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
সেই সাথে জামালপুর-শেরপুর সমন্বিত দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদেরকে সুস্থ তদন্ত করে প্রতারক মেহেদী ও তার পরিবার সহ ভাই আর্মির মেজর ও ডাক্তার শাকেরার ব্যাংক একাউন্ট তলপ করে দেখা হলে,কালো টাকার উৎস বেরিয়ে আসবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান করা হয়েছে।
প্রকাশিত : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.
















