তরফদার মাহামুদ তৌফিক (বিপু) কে উপজেলা চেয়ারম্যান চায় মহেশপুরবাসী

মালিকুজ্জামান কাকা :

অগোছালো উপজেলা। জন প্রতিনিধি নেই। কংক্ষিত সেবা পাচ্ছে না জন সাধারণ। প্রশাসক আছেন কিন্ত তাকে দিয়ে সব কিছু সম্ভব নয়। কেননা তিনি ঘরের লোক নন। প্রশাসক সরকারের। কাগজে কলমে যায় হোক না কেন বাস্তবে বিস্তর ফারাক। দেশের সকল উপজেলার মত তাই এখন উপজেলা চেয়ারম্যান অর্থ্যাৎ জন প্রতিনিধির অপেক্ষায় মহেশপুরবাসী।

ক্ষমতার পালা বদলের সু বাতাস এখন রাষ্ট্র তথা প্রজাতন্ত্রে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায়। মহেশপুরবাসী চাইছেন, তাদের কাছের একজন মানুষ যদি উপজেলা চেয়ারম্যান হয় তাহলে সব দিক দিয়ে মঙ্গল। তারা বার বার সেই মানুষটার নাম ব্যাক্ত করেছেন। বলছেন উপজেলাবাসীর একান্ত কামনা এবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোক তরফদার মহামুদ তৌফিক (বিপু)। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি। তার থেকেও বড় কথা তিনি জনবান্ধব নিরাহংকার মানুষ। একজন পরম সমাজসেবক। মানুষ বিপদে আপদে ডাকলেই তাকে কাছে পায়। ঠিক যেন ঘরের আন্তরিক মানবিক সন্তান বিপু।

খুলনা বিভাগের জেলা ঝিনাইদহ। এই জেলারই একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলা মহেশপুর। যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সাথে উপজেলাটির সীমান্ত রয়েছে। উপজেলার রয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের এক গৌরব জনক অধ্যায়। এই উপজেলার পলিয়ানপুরে ভিটে মাটি কৃষি জমি আর আবাদ রয়েছে তরফদার মাহামুদ তৌফিক (বিপু )র। অর্থাৎ গ্রামের মাটি আর মানুষের সাথে হরিহর আত্মা। সবুজের সাথে রয়েছে সম্পর্ক। ৭নং কাজীরবেড় ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ড পলিয়ানপুরের মরহুম ফিরোজ আলী তরফদারের ছেলে তিনি। তার মা মরহুমা শায়েস্তা খাতুন। এমএম কলেজে পড়ার সময় তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি করেছেন। যুবদলের রাজনীতিতে ছিলেন দীর্ঘদিন। এখন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিক মামলা ছিল তিন তিনটি। যা মীমাংসা হয়েছে। য। যশোরেও তার বাড়ি ও ব্যবসা রয়েছে। যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল রুগী কল্যাণ সমিতির তিনি আজীবন সদস্য। যশোর ইনস্টিটিউটেরও তিনি সম্মানিত সদস্য।

মহেশপুর উপজেলার কৃষক বকুল বলেন আমরা বিপু ভাইকে উপজেলা চেয়ারম্যান চাই। কেননা তিনি জন কল্যাণে আন্তরিক। সেবা দিয়েই চলেছেন মানুষকে। যাদবপুর গার্লস স্কুলের শিক্ষক বাবু বলেন তরফদার মাহামুদ তৌফিক বিপু ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান হলে নাগরিক সুবিধা। কেননা তিনি বিপদে আপদে মানুষের সেবা করেন।

কালিপুরের হত দরিদ্র ইসাহক আলী বলেন, বিপু ভাল লোক। তার মত মানুষের উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়া আমাদের মত গরীবদের জন্য ভালো। তিনি ভালোবাসা দিয়ে মানুষকে কাছে টানতে পারেন।

গয়াসপুরের সাহাবুদ্দিন বলেন, খুব আশা যেন তরফদার মাহামুদ তৌফিক (বিপু ) উপজেলা চেয়ারম্যান হয়। তাহলে মন খুলে মানুষ সেবা নিতে পারবে। নাটিমার প্রিন্স বলেন, জন উপকারী মানুষ। তিনি রাজনীতির মাঠেও উজ্জ্বল। জন সেবক। তার মত মানুষকে উপজেলা চেয়ারম্যান পেতে সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায়।

নেপা গ্রামের ফুল মিয়া বলেন, তৌফিক বিপুর মত উপজেলা চেয়ারম্যান আমাদের খুব করে দরকার। কেননা এই তরফদার বাড়ি আগে থেকেই জন সেবার জন্য খ্যাত। বিপু সেই ধারায় অগ্রগামী মানুষ সেবক।

মহেশপুর উপজেলার জনসংখ্যা ৩,৭১,৬৬৯ জন। পুরুষ ১৮৪৫৪০ জন, মহিলা ১৮৭১০১ জন। লোক সংখ্যার ঘনত্ব ৮৮৯ জনে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে। মোট ভোটার সংখ্যা ২,৬৮,২৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১৩৫৮০২ জন। মহিলা ভোটার সংখ্যা ১৩২৪৭৭ জন।

দারুণ সামাজিক সমবায় প্রেক্ষাপট মহেশপুরের গ্রামে গ্রামে। কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি ৩টি। মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি ১টি। ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি ৭টি। বহুমুখী সমবায় সমিতি ৬টি। মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি ২৩টি। যুব সমবায় সমিতি ৩টি। আশ্রয়ন/আবাসন বহুমুখী সমবায় সমিতি ২টি। কৃষক সমবায় সমিতি ১১৪টি। পুরুষ বিত্তহীন সমবায় সমিতি ৫টি। মহিলা বিত্তহীন সমবায় সমিতি ১৯৩টি। অন্যান্য সমবায় সমিতি আছে আরো ৮টি। দারুণ সম্ভাবনাময় কৃষি এলাকা চোখ বন্ধ করে বলা যায়। আর তাই এলাকার মানুষ কৃষি বন্ধু তরফদার মাহামুদ তৌফিক (বিপু) কে উপজেলা চেয়ারম্যান চাইছে।

মোট জমির পরিমাণ ৪৯২১০.২০ হেক্টর। নীট ফসলী জমি ৪০৪৮০ হেক্টর। মোট ফসলী জমি ৪০৯৪০ হেক্টর। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৫২টি। বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১টি। জুনিয়র নিম্ন বিদ্যালয় ৬টি। মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় (সহশিক্ষা) ২৭টি। উচ্চ বিদ্যালয় (বালিকা) ২টি। দাখিল মাদ্রাসা ২২টি। আলিম মাদ্রাসা ২টি। ফাজিল মাদ্রাসা ১টি। কামিল মাদ্রাসা নেই। কলেজ ১০টি। মহিলা কলেজ ১টি। শিক্ষার হার ৭৪.৬৬%।

যশোর সরকারি এমএম ও সরকারি সিটি কলেজে তিনি লেখাপড়া করেছেন। শহীদ মসিউর রহমান আইন কলেজ থেকে এলএলবি পাশ করেছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে শিক্ষার হার শতভাগ করার চ্যালেঞ্জ তিনি গ্রহণ করতে চান। মহেশপুরবাসীকে সাথে নিয়ে তিনটি নদী আর খাল গুলো খনন করে তিনি শহীদ জিয়ার খনন কার্যক্রম পুনঃ জাগরিত করতে অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন।

প্রকাশিত : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.

ডায়াবেট্সি হলে কি করবেন?

শেয়ার করুন
প্রিয় সময়-চাঁদপুর রিপোর্ট মিডিয়া লিমিটেড.

You might like