

সাদ্দাম হোসেন ॥ চলমান কঠোর লকডাউনের দশমদিনে চাঁদপুরে ২শ’ ৪২ হরিজন সম্প্রদায় পরিবারের সদস্যরা পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার। ১০ জুলাই শনিবার দুপুরে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে হরিজন সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষের হাতে খাদ্য সহায়তা (চাউল) তুলে দেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ।
জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি আপনাদের কষ্টের কথা চিন্তা করে এ উপহার পাঠিয়েছেন। আপনারা যাতে কষ্ট করতে না হয়, সে জন্য আজকে আপনাদের জন্য এ উপহার বিতরণ করা হলো। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে হচ্ছে, দেশের কোনো মানুষ যেনো অনাহারে না থাকে। লকডাউনে এটিই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।

অঞ্জনা খান বলেন, আমরা যে বরাদ্দ পেয়েছি, এসব বরাদ্দ ইতোমধ্যে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছি। তাদেরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যাতে অতি দ্রুত অসহায়, দুস্থ ও কর্মহীন লোকদের কাছে এ সহায়তা বিতরণ করেন। জনপ্রতিনিধিদেরকে আমি অনুরোধ করছি, আপনাদের এলাকায় কেউ যেন অনাহারে না থাকে।
জেলা প্রশাসক আরো বলেন, সরকারের পাশাপাশি সমাজে যারা বিত্তশালী, ব্যবসায়ী এবং স্বচ্ছল আছেন, তারা কর্মহীন ও অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ান। আপনার দায়িত্ব রয়েছে প্রতিবেশীর খোঁজ-খবর রাখা। আপনি খেয়ে থাকবেন, প্রতিবেশী না খেয়ে থাকবে, তাহলে আপনি ভালো প্রতিবেশী নন।
চাঁদপুর জেলা প্রশাসন কর্তৃক গঠিত স্বেচ্ছাসেবক টিম প্রধান ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমতিয়াজ হোসেন, পৌর সচিব আবুল কালাম ভুঁইয়া, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সোহেল রুশদী ও এএইচএম আহসান উল্যাহ।
উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইবনে আল জায়েদ হোসেন, কাজী মেশকাতুল ইসলাম ও এআরএম জাহিদ হাসান প্রমুখ।
কঠোর লকডাউনের শুরু থেকে জেলা প্রশাসনের হটলাইনে ফোন করে আবেদনকারী ৫শ’ পরিবারকে তাদের বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌঁছে দেয়া হয়েছে। একই সাথে কর্মহীন ইজিবাইক ও অটোরিকশা চালক, বেদে ও হিজড়া সম্প্রদায়সহ দুস্থ ৮৬৫ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।
এএমএসএইচ










