

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
‘জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ‘স্বপ্নকুঁড়ি’ মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ নাজির হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি.এম কুদরত-এ-খুদা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ সফিকুল ইসলাম এবং উলিপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (রসায়ন) ড. মোঃ সফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কুড়িগ্রাম জেলার নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ রাকিবুল হাসান নিশাত।
কর্মশালায় খাদ্য নিরাপত্তা, ভেজাল ও দূষিত খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাব, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে শিক্ষকসমাজকে সচেতন ও দক্ষ করে তোলা। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, সুস্থ ও মেধাবী জাতি গঠনে নিরাপদ খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই। তাই খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও গ্রহণ—প্রতিটি পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে অর্জিত জ্ঞান নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

















