

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি ::
ফরিদগঞ্জে পূর্বের শত্রæতার জের ধরে ককটেল ফুটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে মাছের ঝিল দখলের চেষ্টা করেছে একটি চক্র। কোনও উপায় না পেয়ে ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পালিয়ে যায় তারা। আতঙ্ক পুরো এলাকা। ঘটনাটি উপজেলা ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের হর্নিদুর্গাপুর গ্রামে।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাসুদ ও বিল্লাল গংদের মাঝে জমিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে একই ইউনিয়নের একরাম হোসেন বাবুলদের মাঝে। এনিয়ে উভয় পক্ষের আদালতে মামলা রয়েছে। আদালতের মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পূর্বে জোরপূর্বক ভাবে গত ১৭ মে বুধবার সকাল ৬টার সময় প্রায় ২০/২৫ জন লোক ককটেল ফুটিয়ে ঝিলের মাছ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠে। এসময় তারা ঝিলের মধ্যেখানে একটি নেট দিয়ে বেড় দেয়ে রাখে। পরে পুলিশ আশার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুষ্কৃতিকারীরা। এসময় প্রায় ৩ লাখ টাকার মাছ নিয়েছে অভিযোগ করেন জমির মালিক একরাম হোসেন বাবুল।

স্থানীয় লোকজন বলেন, বুধবার ভোর বেলায় ককটেলের শব্দ শুনে ঘুম ভেঙ্গে যায়। পরে দ্রæত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ২০/২৫ জন লোক ঝিলের মধ্যে মাছ ধরছে আর বেড়া দিতেছে। কিছু লোক এইদিক ঐদিক ককটেল ফুটিয়ে যাচ্ছে। আতঙ্কে সামনে যাওয়ার সাহস পায়না কেউ। বিষয়টি খুব দুঃখজনক। এলাকাতে এই ভাবে আতঙ্ক করা ঠিক না।
ক্ষতিগ্রস্ত একরাম হোসেন বাবুল বলেন, আমি একলাশপুর মৌজায় ৯২ শত জমির উপরে মাছ চাষের জন্য জমি ক্রয় করেছি। সেই জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১০ লাভ টাকার মাছ ফেলেছি। গত বুধবার ভোরে মাসুদ, বিল্লাল, জাকির পাটওয়ারী, মিষ্টার হোসেন, আমির হোসেন, সফিকুর রহমান, হেলাল মৃধ্যা ও আবুল বাসার মৃধ্যাসহ ২০/২৫জন লোক মিলে আমার ঝিলের মাঝ ধরে নিয়ে যায়।
যাতে করে কোন লোক বাধা দিতে না পারে সেজন্য তারা ককটেল ফুটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। আমার প্রায় ৩ লাখ টাকার মাছ নিয়ে যায় তারা। আমি কোন উপায় না পেয়ে ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ আশার খবর পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। এরাই আমার জমির দখল নেওয়ার জন্য আমার ভাইকে মেরে পেলেছে। সেই মামলা এখন চলমান আছে। তারা বিভিন্ন সময় আমাকে হুমকি দেয় আমি যাতে উঠিয়ে ফেলি। মামলা না উঠালে আমাকে ও মেরে ফেলবে হুমকি দেয়। এখন আমাকে মারার চেষ্টা করছে। আমি এর বিচার চাই।
অভিযুক্ত মাসুদ ও বিল্লাল বাড়িতে গেলে তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। মোবাইল নাম্বার চাইতে গেলে পরিবারের পক্ষে থেকে না করে দেয়।
ফরিদগঞ্জ থানা অফিসার ইনর্চাজ আব্দুল মান্নান বলেন, এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।










