

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর :
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে একজন নিহতের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
রোববার (১৮ জুন) চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টায় মোহনপুর কাজী বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, পূর্বশত্রুতার জের ধরে আওয়ামী লীগের দুটি পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ হয় তিনজন। পরে তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে যুবলীগ কর্মী মোবারক হোসেন বাবুকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। গুরুতর আহত ইমরান বেপারী ও জহির কবিরাজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানান, শনিবার (১৭ জুন) বিকেলে উপজেলার মাথাভাঙা হাইস্কুল মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সমাবেশের আয়োজন করে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। পরে এই সমাবেশে মিছিল নিয়ে যোগ দিতে আসার পথে মায়ার প্রতিপক্ষরা হামলা করে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন বাবু ও তার ছেলে। পরে স্থানীয় নেতারা বাবুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।
পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










