

সজীব হাসান, (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার এক ইউনিয়ন থেকে অন্য ইউনিয়নে সার পরিবহনের সময় ক্যাশ মেমো প্রদর্শন করতে না পারায় এবং গুদামে মজুদের সঠিক হিসাব না থাকায় মেসার্স কাশেম এন্টারপ্রাইজকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।

রবিবার বিকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের বিএডিসি ডিলার মেসার্স কাশেম এন্টারপ্রাইজ ক্যাশ মেমো ছাড়াই আদমদীঘি সদর ইউনিয়নের মেসার্স খন্দকার ট্রেডার্সের নিকট ডিএপি ও এমওপি রাসায়নিক সার পরিবহন করছিলেন।
এসময় উপজেলার তালশন কালীবাড়ি এলাকায় সার পরিবহনের গাড়ি আটক করার পর সারের ক্যাশ মেমো প্রদর্শন করতে না পারায় এবং গুদামে মজুদের সঠিক হিসাব না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫ ধারায় মেসার্স কাশেম এন্টারপ্রাইজকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
সেই সাথে মেসার্স কাশেম এন্টারপ্রাইজের গুদামটি সিলগালা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম ও থানার সাব-ইন্সপেক্টর সোহাগ প্রমুখ। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং সারের অবৈধ মজুদ ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

















