কবর থেকে আওয়াজ আসছে, ‘আমি এখনও বেঁচে আছি…’

‘আমি এখনও বেঁচে আছি, প্লিজ হেল্প, সাহায্য করুন আমায়!’ কবরস্থানের ভিতর থেকে শোনা যাচ্ছে তীব্র আর্তনাদ। সস্প্রতি পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে। পাঞ্জাবের তান্ডলিয়ানওয়ালার একটি কবরস্থানে ঘটা এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, কবরস্থান থেকে যে আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল, তা মানুষেরই কণ্ঠের! কিন্তু কীভাবে কবরের মধ্যে পৌঁছালেন কেন জীবিত ব্যক্তি?

তদন্তে জানা যায়, ওই ব্যক্তি কবরস্থানে গিয়েছিলেন তার কাছের একজনের মৃত্যুতে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। সেই সময়ই আচমকা ধস নামে। ধসের কবলে কবরে পড়ে মাটিচাপা পড়ে যান ব্যক্তি। ওই অবস্থাতেই তিনি সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করতে থাকেন।

পরে পুলিশ এসে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে ওই ব্যক্তি সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।

 

 

 

বাসা ভাড়া নিয়ে সখ্যতা গড়ে অপহরণ করেন তারা

বাসা ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলা হয় সখ্যতা। এরপর অপহরণ করে সাজানো হয় সহমর্মিতার নাটক। গাজীপুর নগরীর গাছায় একটি শিশু অপহরণের সূত্র ধরে এমনই এক চক্রের চাঞ্চল্যকর অপরাধের তথ্য পেয়েছে র‌্যাব। গ্রেফতার করা হয়েছে দুই সদস্যকে।

গত ৭ জুলাই গার্মেন্টস শ্রমিক পরিচয়ে প্রবাসী আব্দুল কাদেরের বাসায় ভাড়াটে সেজে উঠে সাবিনা নামে এক নারী। আগে থেকে সেই বাসায় ছিল অপহরণকারী চক্রের মূল হোতা সাগর। তার পঞ্চম স্ত্রীকে ভাড়াটে সাজিয়ে ওই বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে ৮ জুলাই মালিকের একমাত্র শিশু আব্দুল্লাহকে দোকানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অপহরণ করে চক্রটি। মুক্তিপণ হিসেবে দাবি করে সাত লাখ টাকা।

এদিকে মূল পরিকল্পনাকারী সাগর ভিকটিমের বাড়িতে থেকেই খোঁজাখুঁজির নাটক করে। এমনকি অপহরণকারী চক্রের সঙ্গে বাড়ির মালিকের হয়ে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণের দরদামও করতে থাকে। এক পর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মূল পরিকল্পনাকারী আমির হোসেন সাগর ও আজম শেখকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে পোড়াবাড়ি র‌্যাব ক্যাম্পে এক সংবাদ এসব তথ্য জানানো হয়। র‌্যাবের কর্মকর্তা জানান, ভাড়াটে সেজে অপহরণ আপত্তিকর ছবি তুলে জিম্মি করাই ছিল এই চক্রের কাজ।

লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তাদের আরো একটি কাজ ছিল বাড়িওয়ালাকে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে বাড়িঘর লুট করা, স্বর্ণ নিয়ে যাওয়া। এইসবই তাদের কাজ।

এদিকে উদ্ধারকৃত ভিকটিমের মা মাজিদা বেগম ছেলের অস্বাভাবিক আচরণসহ অসুস্থতার কথা বলে আপ্লুত হয়ে পড়েন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে কঠোর শাস্তি ও চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান টের পেয়ে চক্রটি গত শুক্রবার মাদারীপুরের শিবচরে বাচ্চাটি ফেলে যায়।

গাজীপুরে আরো তিন চারটি বাড়িতে ভাড়াটে সেজে অপহরণ ও নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে চক্রটি মালামাল লুট করে বলে জানায় র‍্যাব।

You might like