

অর্শ বা গেজ রোগের ঔষধ সম্পর্কে জেনে নিন
অর্শ রোগের সাথে অনেকেই কমবেশি পরিচিত। মলদ্বারের ভেতর বা বাইরে মাংসপেশির মধ্যে অস্বাভাবিক জৈব-রাসায়নিক পরিবর্তন দ্বারা সৃষ্ট অতিরিক্ত মাংশপিত্ত বিশেষ, যাকে আমরা অশ্ব বা অর্শ বলে থাকি।

এতে মলদ্বারে ব্যথা ফোলা, জ্বালা-যন্ত্রণা, টানাটানি, অস্বস্তি, কোমরে ব্যথা, খাদ্যে অরুচি ও অনিদ্রা দেখা দেয়। আর কোষ্ঠকাঠিন্য এ রোগের কষ্টদায়ক যন্ত্রণাকে আরো তীব্রতর করে তোলে। আবার কখনো মলদ্বারের ভেতর হেমোরয়েড নামক রক্তনালীতে স্ফীতি ঘটে।
যাকে রক্তার্শ বলা হয়। মলত্যাগের সময় চাপ প্রয়োগে যা ফেটে যায়। এতে মলদ্বার দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা অথবা ফিনকি দিয়ে রক্তপাত হয়। বাহ্যকষা হলে রক্তপাত এবং জ্বালা-যন্ত্রণা বাড়ে। আবার অধিক রক্তপাত হলে রোগী শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে পারে। এ অবস্থায় তখন দেহে রক্তাল্পতা দেখা দেয়।
অর্শ রোগের কারণগুলো জানা দরকার
অনিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন, অধিক গুরুপাক, ভাজা-পোড়া, তৈলাক্ত খাবার গ্রহণ, মদ্যপান, বদ্যাভ্যাস যেমন মলদ্বারের ভেতর আঙুল দিয়ে মল পরিষ্কারের চেষ্টা করা, গর্ভকালীন মলাশয়ে অধিক চাপ, বিশেষত : কোষ্ঠকাঠিন্য, আমাশয়, গুঁড়াকৃমি, যকৃতের গোলযোগ, পাক-আন্তিক গোলযোগ এবং মলদ্বারের মাংসপেশির দুর্বলতা। তা ছাড়া, বংশগত কারণে এ রোগ হয়ে থাকে।
অর্শ রোগ যেকোনো বয়সের লোকেরই হতে পারে। তবে বয়স্কদের মধ্যে এ রোগের বিস্তার অধিক। আবার শিশু বয়সে বেশি দেখা যায়। আর মহিলা অপেক্ষা পুরুষের ফিশটুলা বা ভগন্দর রোগ বেশি। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
অর্শ রোগের প্রাথমিক অবস্থায় কেবল পরামর্শ দিয়েও উপশম হতে পারে। তাই খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পদ্ধতি পরিবর্তন করুন। গুরুপাক খাবার, অতিরিক্ত তৈল, ঝাল, ভাজা-পোড়া এবং এলার্জি সৃষ্টিকারী খাবার পরিহার করুন। বিশেষত যাদের বংশে পাইলস ফিশটুলা রোগ আছে, তারা গরুর মাংস খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিন।
এ রোগে সাইকেল চালনা ক্ষতিকর। রক্তপাত অবস্থায় দীর্ঘপথ ভ্রমণ, অধিক পরিশ্রম ও খেলাধুলা করা উচিত নয়। বিশ্রামে থাকুন এবং লঘুপাচ্য খাবার খান। সবসময় কোষ্ঠকাঠিন্যমুক্ত থাকতে হবে। তা না হলে রোগের যন্ত্রণা কমবে না।

এ জন্য শাকসবজি বেশি করে খাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই গ্লাস ঠাণ্ডা পানি পান করার অভ্যাস করুন। রাতে শয়নকালে ২ চা চামচ ইসবগুলের ভুসি এক গ্লাস গরম দুধ অথবা পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন। মনে রাখবেন; সঠিক পথ গ্রহণ রোগ আরগ্যের জন্য বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
যথাযথ রোগ নির্ণয় এবং সঠিক কারণ নির্ধারণ করে আরামদায়ক ও নিরাপদ চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। কারণ এটি একটি বৈজ্ঞানিক চিকিৎসাপদ্ধতি। রক্তপাত হলেই যে পাইলস এটা বলা যাবে না। তবে, কমন সমস্যা পাইলস।
এছাড়াও পায়ুপথে আরো নানাবিধ সমস্যা রয়েছে। মানুষ যখন চিকিৎসকের কাছে আসে এবং পরামর্শ নেয় তখন তাদের ধারণা পরিবর্তন হয়। পাইলসেরও বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে। তবে সমস্যা যেমনই হোক, প্রাথমিক অবস্থায় আপনি ঘরেই সারাতে পারেন এই সমস্যা।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
একটি তুলোর বল নিন। এবার তাতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে ব্যবহার করুন। প্রথমে কিছুটা জ্বালাপোড়া অনুভব করলেও পরক্ষণেই তা কমে যাবে। এটিও দিনে একাধিকবার করুন।
অ্যালোভেরা
আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে আরাম পাবেন। এটি জ্বালাপোড়া কমিয়ে দেবে অনেকটাই। অ্যালোভেরা পাতার ভেতর থেকে জেল বের করে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন। এরপর সেই ঠান্ডা অ্যালোভেরা আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। পাইলস থেকে মুক্তি পেতে এটি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।
বরফ
ভাবছেন, বরফ কীভাবে পাইলস সারাবে? এটি আসলে পাইলস দূর করার অন্যতম ঘরোয়া উপায়। বরফ রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং ব্যথা দূর করে। একটি পরিষ্কার কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে মিনিট দশেক রাখুন। দিনে কয়েকবার ব্যবহার করুন। পাইলস থেকে মুক্তি মিলবে।
আদা ও লেবুর রস
শরীরে পানিশূন্যতা পাইলসের ক্ষেত্রে অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই পানিশূন্যতা দূর করতে আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি পাইলস নিরাময়ে সাহায্য করে। দিনে অন্তত আট-দশ গ্লাস পানি পান করুন।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল আছে বাড়িতে? ফুডগ্রেড অলিভ অয়েল দিনে এক চা চামচ করে খান। এটি শরীরের প্রদাহ হ্রাস করে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করে থাকে। পাশাপাশি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।
যদি এসব ভেষজ ব্যবহারে সমাধান না হয় তাহলে নিম্নে বর্ণিত ভেষজ চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিতে পারেন। সারাদেশে বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ারযোগে ঔষধ পাঠানো হয়।

শারীরিক অক্ষমতার কারণ ও প্রতিকার
পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা অথবা পুরু/ষত্ব হীনতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌ/ন সমস্যা।
অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও।
কিন্তু কারণ কি পুরুষদের এই ক্রমশ শারীরিকভাবে অক্ষম বা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে? কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের বর্তমানের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেই।
হ্যাঁ, আপনার প্রতিদিনের স্ট্রেসভরা অস্বাস্থ্যকর জীবন, আপনার নিজের কোনও একটা ভুলই হয়তো আপনাকে ক্রমশ ঠেলে দিচ্ছে পুরুষত্বহীনতার দিকে। অথবা হতে পারে আপনার শরীরে ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে যৌ/ন হরমোনের পরিমাণ, যা আপনার সংসারকে করছে অশান্তিময়।
কেন এমন হচ্ছে সেটা জানার আগে জানতে হবে পুরুষের একান্ত দুর্বলতাগুলো কী কী বা কেমন হতে পারে। তা জেনে নিলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, আপনার সমস্যাটা কোথায়।

শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতার বিষয়টিকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-
১. ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লি/ঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। এতে করে লিং/গের উত্থানে সমস্যা তৈরি, যাতে করে দীর্ঘদিন যাবত লিং/গ গরম হয় না এবং সহ/বাসের উপযোগী হয় না।
২. পেনিট্রেশন ফেইলিউর : লি/ঙ্গের যো/নিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা, বা যো/নিতে প্রবেশের মত পর্যাপ্ত উথিত না হওয়া। এতে করে মাঝে মাঝে লিং/গ উত্থিত বা গরম হয় আবার গরম হয়েও শীতল হয়ে যায়। আবার গরম হলেও স্ত্রী যো/নীতে প্রবেশ করা মাত্রই তা নরম হয় যায়, ফলে সংসারে বাড়ে অশান্তি। বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়তে থাকে।
৩. প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহ/বাসে দ্রুত বী/র্য-স্খলন, তথা স্থায়িত্বের অভাব। এতে করে পুরুষের লিং/গ গরম হলেও তা খুব দ্রুতই পতন হয় বা বী/র্য আউট হয়ে যায়। তাতে নারী এবং কেউ পরম সুখলাভ করতে পারে না।

এ সমস্যার জন্য নাইট কিং পাউডার ও সিরাপ বেশ কার্যকরী ঔষধ। এই ঔষধ সেবনে উপরোক্ত সমস্যার সমাধান হবে, ইনশাল্লাহ।
কারণগুলি কি কি হতে পারে ?
প্রাকৃতিক বা শারীরিক কারণগুলোর মাঝে মুখ্য হলো-
১. ডায়াবেটিস,
২. লি/ঙ্গে জন্মগত কোনওপ্রকার ত্রুটি,
৩. সে/ক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা,
৪. গনোরিয়া বা সিফিলিসের মত যৌ/নরোগ ইত্যাদি।
তাছাড়াও প্রাকৃতিক শারীরিক সমস্যা ছাড়াও প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাওয়া দাওয়া, কম বিশ্রাম ও ব্যায়াম ছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইত্যাদি অনেক কারণই আছে ক্রমশ যৌ/ন সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পেছনে।
আবার অতিরিক্ত যৌ/ন সম্পর্কে যাওয়া, অতিরিক্ত মা/স্টার/বেট বা হ/স্তমৈ/থুন করা, যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাবিজাবি ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণকে অবহেলা করলেও চলবে না।
এছাড়া বয়স জনিত অসুস্থতা, সঙ্গিনীর সাথে বয়সের পার্থক্য বা সঙ্গিনীকে পছন্দ না করা, এইডসভীতি, পর্যাপ্ত যৌ/ন জ্ঞানের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যৌ/নাসনও অক্ষমতা বা দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।
কী কি করবেন ?
প্রথমেই যা করবেন, সেটা হলো নিম্নোক্ত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। লজ্জা না করে নিজের সমস্ত সমস্যা খুলে বলুন ও ডাক্তারের পরামর্শ মত প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা নিন।
এতে লজ্জার কিছুই নেই। একটাই জীবন। লজ্জার চাইতে নিজেকে সুস্থ ও সক্ষম রাখা জরুরী। তাই দ্বিধাহীন চিত্তে যোগাযোগ করুন। আপনার সমস্যা অনুসারে আপনাকে ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে।
আপনার ডায়াবেটিস থাকলে প্রয়োজনীয় সকল নিয়ম কানুন মেনে চলুন।
নিজের জীবনধারাকে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনে বদলে ফেলুন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খান, ব্যায়াম করুন, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান, চেষ্টা করে কাজের চাপের মাঝেও বিশ্রাম নিতে। আপনার শরীর যখন সুস্থ ও সক্ষম থাকবে, যৌনজীবনও থাকবে সুন্দর।

সঙ্গীর সাথে রোমান্টিক জীবনের উন্নতি করুন। এক ঘেয়ে যৌ/ন জীবনে নানান রকমের চমক ও আনন্দ নিয়ে আসুন। তাঁকেও বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন যে নতুন চমক এলে আপনার মানসিকভাবে সাহায্য হবে। রোমান্টিক বেডরুম, আকর্ষণীয় অন্তর্বাস, সে/ক্স টয় ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে।
যদি সঙ্গীকে অপছন্দ করার কারণে সমস্যা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন সঙ্গীকে ভালবাসতে। তার সাথে দূরে কোথাও নিরিবিলি বেড়াতে যান, তাঁকে গভীর ভাবে জানার চেষ্টা করুন। আস্তে আস্তে তার প্রেমে পড়ার চেষ্টা করুন।
মানসিকভাবে প্রেমে পরলে শরীরটাও সাড়া দেবে। একটা জিনিষ মনে রাখবেন, বাস্তবের নারীর সাথে সিনেমার নায়িকা বা প/র্ণ স্টারদের মিল খুঁজতে যাবেন না। নিজের দিকে তাকান, নিজের সাধারণত্ব দেখুন। দেখবেন, সঙ্গীকেও আর খারাপ লাগছে না।
কী করা উচিত নয় ?
অতিরিক্ত মাস্টারবেট করার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। আর যাদের স্ত্রী আছে তাঁরা স্ত্রীর সাথেই যৌ/নজীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।
বাজারে সাময়িকভাবে যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, যেগুলো সেবনে ২৪ ঘণ্টার জন্য যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ে। এইধরনের ওষুধ মোটেও ব্যবহার করবেন না। এতে সাময়িক ক্ষমতা বাড়লেও, ক্রমশ আসলে ক্ষমতা কমতেই থাকবে।

যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ
যৌ/ন রোগ কয়েক প্রকার হতে পারে। তাই প্রথমেই আমাদেরকে বুঝতে হবে যৌ/ন রোগ কী?
যৌ/ন রোগ কয়েক প্রকার হতে পারে। যেমন :
১. সহ/বাসে অসমার্থতা।
২. দ্রু/ত বী/র্যপাত।
৩. অসময়ে বী/র্যপাত।
৪. সহ/বাসের আগেই বী/র্যপাত। অর্থাৎ নারীদেহ কল্পনা করলেই বী/র্যপাত হয়ে যাওয়া।
৫. প্রস্রাবের সাথে বী/র্যপাত।
৬. প্রস্রাবের বেগ হলেই বী/র্যপাত। স্বপ্নদোষ। মেহ রোগ।
৭. যৌ/নবাহিত রোগ। যেমন. গনোরিয়া, ক্লামিডিয়া, হার্পিস ইত্যাদি।

ওপরের ছয় নম্বর পর্যন্ত রোগের চিকিৎসা এক প্রকারের। আর তা হচ্ছে : নাইট কিং নিয়মিত সেবন করা। কয়েক মাস সেবন করলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
নাইট কিং খুব ভালো মানের ঔষধ। যা সেবন আপনি দ্রুত বী/র্যপাত থেকে মুক্তি পাবেন। আর সাত নম্বর রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে হলে দীর্ঘদিন যাবত ঔষধ সেবন করতে হবে।
সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
(ডিইউএমএস)
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।
মুঠোফোন🙁চিকিৎসক)
01762-240650
(সকাল দশটা থেকে রাত্র দশটা। নামাজের সময় কল দিবেন না।)
ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com
সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।
শ্বেতীরোগ, একজিমা, যৌনরোগ, পাইলস (ফিস্টুলা) ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসক।
আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
আরো পড়ুন : যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ
আরও পড়ুন: বীর্যমনি ফল বা মিরছিদানার উপকারিতা
আরো পড়ুন : অর্শ গেজ পাইলস বা ফিস্টুলা রোগের চিকিৎসা
আরো পড়ুন : নারী-পুরুষের যৌন দুর্বলতা এবং চিকিৎসা
আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকারে শক্তিশালী ভেষজ ঔষধ
আরো পড়ুন : দীর্ঘস্থায়ী সহবাস করার উপায়








