

তথ্য-প্রযুক্তি কণ্ঠ ডেস্ক :
বাংলাদেশে ইন্টেরিয়র ডিজাইন পড়তে চাইলে ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্স পাওয়া যায়। গড়ে একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার বছরে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা আয় করেন, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে মাসিক আয় ১০,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

কোথায় পড়া যায়
বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট
– Shanto-Mariam University of Creative Technology (SMUCT)
– BA ও MA ইন ইন্টেরিয়র ডিজাইন প্রোগ্রাম।
– কোর্সে স্পেশালাইজড মডিউল: স্পেশাল ডিজাইন, ডিজাইন ম্যানেজমেন্ট, এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন ইত্যাদি।
– National Institute of Design, Dhaka
– ১ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স।
– আধুনিক ল্যাব, ইন্টার্নশিপ সুযোগ, অভিজ্ঞ শিক্ষক।
– অন্যান্য প্রতিষ্ঠান
– বিভিন্ন প্রাইভেট ইনস্টিটিউট ও ট্রেনিং সেন্টার থেকে স্বল্পমেয়াদি কোর্স পাওয়া যায়।
– গ্রাফিক ডিজাইন, আর্কিটেকচার বা ফাইন আর্টস ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলে বিশেষ সুবিধা।
কীভাবে পড়া যায়
– ভর্তি যোগ্যতা:
– ডিপ্লোমা কোর্সে সাধারণত HSC পাশ করলেই ভর্তি হওয়া যায়।
– MA প্রোগ্রামে BA ইন আর্কিটেকচার, ফাইন আর্টস বা ডিজাইন ব্যাকগ্রাউন্ড প্রয়োজন।
– কোর্স কাঠামো:
– থিওরি + প্র্যাকটিক্যাল + সফটওয়্যার ট্রেনিং (AutoCAD, 3D Max, SketchUp)।
– ইন্টার্নশিপ ও প্রজেক্ট কাজের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা।
ক্যারিয়ার ও আয়ের সম্ভাবনা
গড় আয়
– বার্ষিক গড় আয়: প্রায় ৩,১২,৪০০ টাকা।
– মাসিক আয়: সাধারণত ৯,৯৪০ – ৩২,৩৮৬ টাকা।
– ঢাকা শহরে: অভিজ্ঞ ডিজাইনাররা বছরে প্রায় ৩০,০০০ ডলার সমপরিমাণ আয় করতে পারেন।
আয়ের ভিন্নতা
– নতুনদের জন্য: মাসিক ১০,০০০–১৫,০০০ টাকা।
– অভিজ্ঞদের জন্য: মাসিক ২৫,০০০–৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
– ফ্রিল্যান্স কাজ: আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে (Upwork, Fiverr) প্রজেক্টভিত্তিক আয় অনেক বেশি হতে পারে।
কাজের ক্ষেত্র
– আর্কিটেকচার ফার্ম
– রিয়েল এস্টেট কোম্পানি
– ফার্নিচার ও ডেকোরেশন ব্যবসা
– ফ্রিল্যান্স প্রজেক্ট
– ইভেন্ট ও এক্সিবিশন ডিজাইন
চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ
– চ্যালেঞ্জ: বাজারে প্রতিযোগিতা বেশি, সফটওয়্যার দক্ষতা অপরিহার্য।
– সুযোগ: রিয়েল এস্টেট ও হাউজিং সেক্টরের প্রসার, কর্পোরেট অফিস ও রেস্তোরাঁর ডিজাইন চাহিদা বৃদ্ধি।
বাংলাদেশে ইন্টেরিয়র ডিজাইন পড়ে ক্যারিয়ার গড়া এখন আর কঠিন নয়। ঢাকা ও অন্যান্য শহরে মানসম্মত কোর্স পাওয়া যায়। দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আয় বাড়ে, আর ফ্রিল্যান্সিং করলে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বড় সুযোগ তৈরি হয়।
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬ খ্রি.
















