

মোঃ এনামুল হক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ে কয়েকদিনের বৃষ্টির পানিতে টমেটোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টির প্রভাব ও জলাবদ্ধতায় পঞ্চগড়ে টমেটো, মরিচ ও বাদাম চাষিরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তারা জানিয়েছেন, এ বছর আগাম বৃষ্টির কারণে টমেটো ও বাদামের ফলন তেমন হয়নি । অসময়ের বৃষ্টিতে জলবদ্ধতায় টমেটোতে কালচে দাগ ও পচন দেখা দিয়েছে। পানি জমে থাকায় গাছ ঝিমিয়ে গিয়ে মরে যাচ্ছে। চাষিরা বলছেন এবার বীজ, সার ও কীটনাশকের কারণে খরচ বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতির শঙ্কায় রয়েছেন তারা।
এবছর বৃষ্টিতে পঞ্চগড়ে টমেটো ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় ফলন কম হয়েছে। তবে দাম পেয়ে খুশি টমেটো চাষীরা। বৃহস্পতিবার ( ৩০ এপ্রিল ) দিনভর পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন এলাকায় টমেটো চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে গত বছর উৎপাদিত টমেটো বিক্রি করে শ্রমিক, সার ও কীটনাশক খরচ না পাওয়ায় অধিকাংশ কৃষক জমিতেই তা নষ্ট করেছিলেন। কিন্তু, এ বছর উৎপাদিত টমেটো ৯০০ থেকে এগারো শত টাকা দরে বিক্রি করতে পেরে খুশি তারা। গতবারের টমেটো চাষের ক্ষতি পুষিয়েও লাভবান হচ্ছেন কৃষক। উৎপাদিত টমেটো বিক্রি করতে ব্যবসায়ীরা কৃষকদের বাড়ি থেকে টমেটো কিনছেন।

এ বছর টমেটো বিক্রিতে লাভবান হচ্ছেন তারাও। তবে হঠাৎ টানা ৪ দিনের বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। এ বছর কৃষকদের কাছ থেকে জানা গেছে, এক বিঘা জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, কীটনাশক প্রয়োগ ও শ্রমিকের মজুরিসহ কৃষকের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। আবহাওয়া ভালো থাকলে প্রতি বিঘায় দেড় থেকে ২০০ মণ টমেটো বিক্রির আশা ছিল কৃষকদের।এদিকে, বৃষ্টির কারণে টমেটোর গায়ে ছোট ছোট কালচে দাগের পাশাপাশি খেতে হাঁটু পরিমাণ পানি থাকায় গাছ মরে যাচ্ছে। এবিষয়ে পঞ্চগড় জেলাকৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আব্দুল মতিন জানায়, এ বছর জেলায় ৭ শত ৭৮ হেক্টর জমিতে টমেটোর আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে পঞ্চগড় সদর উপজেলায়।
প্রকাশিত : রোববার, ০৩ মে ২০২৬ খ্রি.
















