
সুদর্শনা , শুধু একবার তাকিয়ে দ্যাখো -এই আমার চোখ, কতো কিছুই দেখতে চায় যেহেতু দেখে নেবার সক্ষমতা আছে তার পুরোদস্তুর
আমার এই মুখ বলতে চায় কতকিছু যেহেতু বোবা আমি নই
এই আমার হাত ছুঁতে চায় কোমল কুসুম এই দুটি পা ছুটে যেতে চায় কতো যে কোথাও
আমার সমস্ত শরীরের সবকিছু কিছুনা কিছু তো চায় শুধু বিলাসিতা করে নয়-জীবনকে যাপনের নৈমিত্তিক প্রয়োজনে ন্যুনতম কিছু না কিছু চেয়ে যেতে হয়

৩৬ ইঞ্চি বুকের মধ্যে একটি টুকরো আছে – যাকে মানুষেরা দিয়েছে নাম-হৃদয়-
দ্যাখো এখানে জমে আছে বাসনার কারাগার
দগদগে ক্ষত।আমারও মগজ মনন মস্তিস্কে
ভীড় করে একটি দেশ একটি পৃথিবী
অগণন মানুষের একটা জীবন যেন কেটে যায়
মানুষের বুক জুড়ে মানুষের ভালবাসা গেঁথে।অথচ,সুদর্শনা, আমাকে বলা হলো- দেখোনা
যতটা দেখতে বলি তারচেয়ে বেশি
বোলোনা সেই কথা যে- কথা বোলতে আছে মানা।
হাত পা মুখ মগজ মস্তিষ্ক মনন- সমস্তকিছুর উপর জারি হলো কারফিউ- নিষেধাজ্ঞার চুড়ান্ত সমন।আমার ইচ্ছে অনিচ্ছেগুলো নিয়ন্ত্রিত হবে
অন্যের মূর্ত আর বিমূর্ত ইশারায়-এইতো নিয়তি
আর এইতো বিধান।এসকল নিষেধাজ্ঞা ডিঙিয়ে
দন্ডিত এ জীবনে তোমার হৃদয়পাড়ে
নোঙর ভেড়ানো কি হবে ততোটা সহজ!

যতই হোক না কঠিন আর দুরূহ বিরল,
হোক না বিপন্ন এই দগ্ধ জীবন আমাকে আটকে দেবে – সে কখনো সম্ভব হতে পারে!পারে না,পারবে না-
আমার কবিতা দিয়ে আমি সবকিছু ছুঁয়ে দেবো দেখে নেবো টুকরো টুকরো করে ভেঙে দেবো
যা কিছু নিষিদ্ধ বলে ঘোষিত হয়ে গেছে
যা কিছু ভেবে নিতে করেছে বারণ।
১৪৪ ধারা ভেঙে দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে
ছুঁয়ে দেবো নিশ্চিত ছোঁবো আমি
শুধুই আমারই জন্যে তৃষিত তোমার ওষ্ঠ অধর!










