
যুবক অনার্য :
সজল রানভী।হেঁটে যাচ্ছেন।তার চারপাশে
পৃথিবী ঘুরছে।পৃথিবীর চারপাশে
প্রদক্ষিন করছেন তিনি।তার ৫ হাজার চোখ
৫ হাজার দ্রষ্টব্য তার।তিনি দেখতে পান ” সংসার এক রোমান্টিক কবর”,
প্রশ্ন ওঠে জেগে- তবে কি তিনি দেখে নিচ্ছেন
কী আছে কবরের ওপাশে
দেখতে কি পাচ্ছেন তিনি – হরিপাল কিংবা কংশপাড়ের হরিনারায়ণ-কে
শ্মশান ঘাটে পুড়িয়ে ফেলবার পর
কেনো খুন হয়ে গেছিলো তার পুত্র আর
ধর্ষিতা হলেন তার কন্যা পদ্মাপারমিতা
কিংবা তিনি দেখতে পাচ্ছেন এর চেয়ে বেশি কিছু?
আমি তাকিয়ে থাকি আর রানভী হেঁটে যান
পেছন থেকে মনে হয়- হেঁটে যাচ্ছে একটি কবিতা আগুনের মতো, জ্ব ‘লে উঠছে সেই কবিতা বারুদের মতো;
প্রশ্ন জেগে ওঠে: এতো বারুদ এতো আগুন কবিদের মনে মজ্জায় শরীরে
তবু কেনো ফেরারি হয়ে থেকে যেতে হয়
স্বাধীন এ দেশে একজন পাড়ভাঙা দেশ প্রেমিকের
তবে কেনো ফিরে আসে নি জরিমন-
এ অশ্লীল সমাজ যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলো
শুধু একবার জরিমন নারীদের পাশে
দাঁড়াতে চেয়েছিলো বোলে!
এসবের উত্তর কি আজ খুঁজে নেবে জনৈক পাঠক রানভী’র কবিতা থেকে
একজন রানভী কি নিজেও জেনে গেছেন
সমূহ উত্তর এসবের!
হে কবি হে রানভী,আপনি হেঁটে যান
চর্যাপদ থেকে শুরু করে হাজার বছর ধরে
হেঁটে কেবলি হেঁটে হেঁটে কোনো এক
গন্তব্যশীলার নিকটে
কোনো এক গন্তব্যনাশীনির দিকে
আমরা রইবো উত্তরের অপেক্ষায়
অপেক্ষায় রইবো – জরিমন ফিরে এসে আবার দাঁড়িয়ে যাবে নারীদের পাশে
ফিরে আসবে হরিনারায়ণ তার হৃদয়ের কংশপাড়ে
আর তেত্রিশ কোটি দেবতাকে অস্বীকার করে
আমরাও দাঁড়িয়ে যাবো মানুষ কেবলি মানুষের পাশে।







