প্রেমা ও অবিনাশ এবং নিবিবীর্যকাল

যুবক অনার্য :

প্রক্ষালিত হও।এই নিবিবীর্যক্ষণে ভালোবাসা ভালোলাগে নাকি! এমতো নৈরাজ্যেরকালে আমি দ্রাক্ষাবনে গিয়ে নিয়ে আসবো তবে প্রত্নতাত্ত্বিক বনজ কুসুম।তোমরা আমাকে ভেবেছো বুঝি সন্ন্যাসী কোনো!

না হয় হলাম এক কল্পিত বুনোমেঘ তোমাদের কাছে যেহেতু এখনো অই অস্ত্রটি আছে।আজ বড়ো প্রয়োজন জীবানু অস্ত্রটিকে ঘাড় ধরে বের করে দেয়া।এখন অক্ষিগোলক বরাবর দেখা যাচ্ছে নদী দেখা যাচ্ছে প্রেমা।আমি নদী আর প্রেমার মাঝখানে নৌকো ভাড়া করে নিরুদ্দেশ হবো- এখন সময় কিন্তু সেরকম নয়।

আমি পৌরাণিক দেবোতা- টেবোতা সেজে সাজিয়ে নৈবেদ্য থেকে যাবো পুজো নেবো বলে সন্ধেবেলা ঝুলিয়ে গলায় রুদ্রাক্ষের মালা-এখন সময় কিন্তু সেরকমও নয়।এখন সময় শুধু এ কথা বুঝে নেয়া- মানুষ এক সীমাবদ্ধ প্রাণী বটে, তাই সে মস্করা করে ফেলে অসীমতা নিয়ে এক পন্ডিতী ঢঙে- এ কথায়,প্রেমা,রইলো অনুরোধ- তবুও মানুষ ব্যতীত আমাকে দিয়ো না ফেলে ধর্ম কিংবা অধর্মের দলে।আমি তো সেই অবিনাশ- যে কেবলি মানুষ,মানুষ ব্যতীত যার অন্য কোনো নেই পরিচয়।

You might like